লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে হত্যার দায় স্বীকার করে নিয়েছে আনসার
বাংলা-৭ নামক একটি সংগঠন। তারা এ দায় স্বীকার করে টুইটারে পোস্ট দিয়েছে।
সেই সঙ্গে এ হত্যার জন্য দু’টি কারণও উল্লেখ করে তারা।
অভিজিৎকে হত্যার জন্য তারা ভিন্ন ভিন্ন পোস্টে ২টি কারণ উল্লেখ করেছে।
তার মধ্যে একটি হচ্ছে- ইসলামের বিরুদ্ধে অভিজিৎ এর ‘ক্রাইম’ করা। দ্বিতীয়
পোস্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট তাদের (আনসার বাংলা-৭) দুই
ভাই কুরসান ও সামকে শহীদ করেছে। তার প্রতিশোধ ও শাস্তি দি
তে অভিজিৎকে গুপ্তহত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ব্লগার অভিজিৎকে হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যার দায় স্বীকার করে টুইটারে পোস্ট দেয় আনসার বাংলা-৭ নামে ওই সংগঠনটি।
এ বিষয়ে ডিএমপি রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান বাংলামেইলকে বলেন, ‘আনসার বাংলা-৭ এই হত্যার দায় স্বীকার করে টুইটারে যে পোস্টটি দিয়েছে সেটিকে আমরা এড়িয়ে যাচ্ছি না। কারণ এই পোস্টটিও তদন্তের একটি অংশ। সবকিছু নিয়েই আমরা কাজ শুরু করেছি।’
ইতিপূর্বে লেখক হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার রাজীব হায়দার, জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক ও ধর্মীয় আলোচক মাওলানা ফারুকী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শফিউল ইসলাম লিলনকেও একইভবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গোপীবাগের আলোচিত সিক্স মার্ডারও দুর্বৃত্তরা সংঘটিত করেছিল একইভাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ড. অভিজিৎ রায় (৪২) কে হত্যা করেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় তার স্ত্রী ডা. রাফিদা আফরিন বন্যা (৩৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্বত্তরা তার মাথায় উপর্যুপরি কুপিয়েছে। দুর্বৃত্তদের কোপে তার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষক অভিজিৎ রায় একজন ব্লগারও। ‘মুক্তমনা’ নামে একটি ব্লগের তিনি প্রতিষ্ঠাতা। ওই ব্লগে সাম্প্রদায়িক ও উগ্রধর্মীয় চেতনাবিরোধী লেখালেখি করতেন তিনি। সপরিবারের ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অনেক আগে থেকেই লেখালেখি নিয়ে অভিজিৎকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল বিভিন্ন ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী।
অভিজিৎকে হত্যার জন্য তারা ভিন্ন ভিন্ন পোস্টে ২টি কারণ উল্লেখ করেছে।
তার মধ্যে একটি হচ্ছে- ইসলামের বিরুদ্ধে অভিজিৎ এর ‘ক্রাইম’ করা। দ্বিতীয়
পোস্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট তাদের (আনসার বাংলা-৭) দুই
ভাই কুরসান ও সামকে শহীদ করেছে। তার প্রতিশোধ ও শাস্তি দিতে অভিজিৎকে গুপ্তহত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ব্লগার অভিজিৎকে হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যার দায় স্বীকার করে টুইটারে পোস্ট দেয় আনসার বাংলা-৭ নামে ওই সংগঠনটি।
এ বিষয়ে ডিএমপি রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান বাংলামেইলকে বলেন, ‘আনসার বাংলা-৭ এই হত্যার দায় স্বীকার করে টুইটারে যে পোস্টটি দিয়েছে সেটিকে আমরা এড়িয়ে যাচ্ছি না। কারণ এই পোস্টটিও তদন্তের একটি অংশ। সবকিছু নিয়েই আমরা কাজ শুরু করেছি।’
ইতিপূর্বে লেখক হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার রাজীব হায়দার, জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক ও ধর্মীয় আলোচক মাওলানা ফারুকী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শফিউল ইসলাম লিলনকেও একইভবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গোপীবাগের আলোচিত সিক্স মার্ডারও দুর্বৃত্তরা সংঘটিত করেছিল একইভাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ড. অভিজিৎ রায় (৪২) কে হত্যা করেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় তার স্ত্রী ডা. রাফিদা আফরিন বন্যা (৩৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্বত্তরা তার মাথায় উপর্যুপরি কুপিয়েছে। দুর্বৃত্তদের কোপে তার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষক অভিজিৎ রায় একজন ব্লগারও। ‘মুক্তমনা’ নামে একটি ব্লগের তিনি প্রতিষ্ঠাতা। ওই ব্লগে সাম্প্রদায়িক ও উগ্রধর্মীয় চেতনাবিরোধী লেখালেখি করতেন তিনি। সপরিবারের ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অনেক আগে থেকেই লেখালেখি নিয়ে অভিজিৎকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল বিভিন্ন ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন