সর্বশেষ

এত বাজে বোলিং–ফিল্ডিং!

ম্যাচের শুরু থেকেই মাশরাফি বিন মুর্তজার চোখে-মুখে বিরক্তির ছাপ। কখনো বিরক্তি, কখনো কিছুটা ক্ষোভ , কখনো বা আবার তীব্র হতাশার বহিঃপ্রকাশ। কেন হবে না এমন! প্রথম ওভার থেকেই ক্যাচ ছাড়া আর বাজে ফিল্ডিংয়ের মহড়ায় মত্ত তাঁর দল। আর সেই সুযোগ নিয়ে শ্রীলঙ্কা চেপে বসেছে রানের পাহাড়ে। তিলকরত্নে দিলশানের অপরাজিত ১৬১, কুমার সাঙ্গাকারার ১০৫ আর লাহিরু থিরিমান্নের ৫২ রানের তিনটি ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়ে লঙ্কানরা স্কোর বোর্ডে তুলেছে ৩৩২ রানের বিশাল এক সংগ্রহ।
উদ্বোধনী জুটিতে শ্রীলঙ্কার আসে ১২২ রান। অথচ, দৃশ্যপট কিন্তু অন্যরকমও হতে পারত। ম্যাচের প্রথম ওভারেই অধিনায়ক মাশরাফির দুর্দান্ত একটি বলে স্লিপে ক্যাচ পাঠান লাহিরু থিরিমান্নে । কিন্তু সহজ সেই ক্যাচটি মুঠো-বন্দী করতে ব্যর্থ হন এনামুল হক। এনামুল ক্যাচটি ধরতে পারলে কী হতো, ম্যাচের পরিস্থিতি কী হতো, সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু লঙ্কানরা ওই ক্যাচে যে শুরুতেই চাপে পড়ে যেত, সেটা বোধহয় না বললেও চলে। এনামুলের খামখেয়ালিপনায় লঙ্কানদের চাপে ফেলার দারুণ এক সুযোগ বাংলাদেশ হারায় ম্যাচের শুরুতেই। থিরিমান্নের ইনিংসটি অবশ্য শেষ হয় ওই ক্যাচের শিকার হয়েই। তবে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ৫২ রানের মাথায়, রুবেল হোসেনের বলে থার্ডম্যানে তাসকিনের ক্যাচে পরিণত হয়ে।
থিরিমান্নে নিজেকে যথেষ্ট ভাগ্যবান ভাবতেই পারেন। আউট হওয়ার আগেও একবার স্টাম্পিংয়ের হাত থেকে বেঁচে যান তিনি।
থিরিমান্নের উইকেটটিই ছিল শ্রীলঙ্কার ইনিংসে বাংলাদেশের একমাত্র সাফল্য। নিজের ৪০০তম ওয়ানডেটি খেলতে নামা কুমার সাঙ্গাকারাকে সঙ্গে নিয়ে এরপর তিলকরত্নে দিলশান এমসিজিতে ছোটান রানের ফোয়ারা। দিলশানের অপরাজিত ১৬১ রানের ইনিংসটি তো ছিলই, সাঙ্গাকারাও কম যাননি। ২২তম সেঞ্চুরিটি করে ৪০০তম ওয়ানডের উপলক্ষ্যটি তিনি স্মরণীয় করে রাখেন দারুণভাবেই। ৭৩ বলে সাঙ্গাকারার এই সেঞ্চুরিটি তাঁর ক্যারিয়ারেরও দ্রুততম সেঞ্চুরি। দিলশান তাঁর ইনিংসটি খেলেছেন ১৪৬ বলে, ২২টি চারের সাহায্যে। সাঙ্গাকারা আর দিলশান মিলে স্কোরবোর্ডে তোলে ২১০ রান—যা একদিনের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দ্বিতীয় উইকেট-জুটিতে সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশি ফিল্ডাররা জীবন দিয়েছে সাঙ্গাকারাকেও। একবার নয়, দুই-দুইবার। ইনিংসের ৩৩ ও ৪২ ওভারে। ৪২ ওভারে মুমিনুল যেভাবে তাঁকে জীবন দিলেন, সেটা রীতিমতো অচিন্তনীয়।
ফিল্ডারদের পাশাপাশি আজ বোলাররাও যেন বাজে খেলার পণ করে মাঠে নেমেছিলেন। রুবেল হোসেন ছাড়া উইকেট পাননি কেউই। মাশরাফি এবং তাসকিন বেশ কয়েকটি সম্ভাবনা তৈরি করলেও বাজে ফিল্ডিংয়ের খেসারত দিতে হয়েছে তাঁদের। ১০ ওভা​রে এক মেডেনেও সবচেয়ে বেশি, ৮২ রান দিয়েছেন তাসকিন। খরচে বোলারদের তালিকায় তারপরেই আছেন রুবেল হোসেন। ৯ ওভারে ১ উইকেট নিয়ে ৬২ রান দিয়েছেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ সাত ওভারে দিয়েছেন ৪৯। বল হাতে সাকিবের দিনটাও তাঁর মান অনুযায়ী যায়নি। j1

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

prottoy news24 | Distributed By pnbd24.com | Designed By pnbd24.com

rusm থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.