মাত্র তিন দিনে দক্ষিণ সুদানের দারফুরে দুই শতাধিক নারী ও কিশোরিকে ধষর্ণ করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী। এই পুরো বিষয়টি ছিলো ‘পরিকল্পিত, সংগঠিত ও পর্যা্য়ক্রমিক’। আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।দেশটির বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করতে সংস্থাটি আফ্রিকান ইউনিয়ন ও জাতিসংঘকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর অক্টোবরে বিদ্রোহীদের দখলে থাকা দারফুরের তাবিত শহরের নিয়ন্ত্রন নেয় সরকারি বাহিনী। তারা শহরের প্রতিটি বাড়িতে প্রবেশ করে পুরুষদের পিটিয়ে বের করে দেয়। এরপর তারা বাড়ির প্রত্যেকটি নারীকে ধর্ষণ করে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে সাদা পোশাকে সরকারি কর্মকর্তারাও এ কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়। অনেক নারীকে তাদের বাবা-মাসহ স্বজনদের সামনে ধর্ষণ করা হয়। ৪৮ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে খাতেরা নামে এক ধর্ষিতা জানান, সুদানি সেনারা তাবিতের যে ২২১ জন নারীকে ধর্ষণ করেছে তাদের মধ্যে তিনি ও তার তিন মেয়েও ছিলো। তার দুই মেয়ের বয়স ছিলো মাত্র ১১ বছর।নাদিয়া নামে এক তরুণী বলেন, ‘১৮ জন সেনা আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। তার বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে পুরুষদের বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। এরপর ১৫ জন সেনা আমাদের চারজনকে ধর্ষণ করে’। দলত্যাগী দুই সেনা সদস্য হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে জানিয়েছে, তাদেরকে হামলার জন্য বিশেষ করে ধর্ষনের জন্য সরাসরি আদেশ দেয়া হয়েছিল।প্রতিবেদনের লেখক জোনাথান লোয়েব জানান, সুদান সেনাবাহিনীর সদস্যরা হামলা চালানোর পর উম্মত্তভাবে প্রহার, ভীতি প্রদর্শন করে। তারা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যে কাজটি করেছে সেটি হচ্ছে ব্যাপক, সংগঠিত ও পর্যায়ক্রমিকভাবে শহরের নারীদের ধর্ষণ করেছে।
আপনি কি মনে করেন ব্লগার অভিজিৎ হত্যার পিছনে জামায়াত-শিবিরের হাত আছে?
আমাদের সম্পর্কে
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন