আর উক্ত আয়াত থেকে এ চারটি বিষয়ই স্পষ্ট হয়-
১. তেলাওয়াতে কিতাব
২. তা’লীমে কিতাব বা কুর’আনের শিক্ষা দিতে হবে ।
৩. তা’লীমে হিক্মাহ বা জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করা।
৪. তাজকিয়ায়ে নফস বা আত্মশুদ্ধি করা।
৪. আদল ও কিস্ত (ন্যায় প্রতিষ্ঠা)
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَداءَ بِالْقِسْطِ وَلا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلى أَلاَّ تَعْدِلُوا اعْدِلُوا هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوى وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِما تَعْمَلُونَ [سورة المائدة (৫) : آية ৮]
অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ ! সত্যের ওপর স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত ও ইনসাফের সাক্ষ্যদাতা হয়ে যাও৷ কোন দলের শত্রুতা তোমাদেরকে যেন এমন উত্তেজিত না করে দেয় যার ফলে তোমরা ইনসাফ থেকে সরে যাও৷ ইনসাফ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠিত করো৷ এটি আল্লাহভীতির সাথে বেশী সামঞ্জস্যশীল৷ আল্লাহকে ভয় করে কাজ করতে থাকো৷ তোমরা যা কিছু করো আল্লাহ সে সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত আছেন ৷(সূরা আল মায়েদাহ-৮)
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسانِ وَإِيتاءِ ذِي الْقُرْبى وَيَنْهى عَنِ الْفَحْشاءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِ يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ [سورة النحل (১৬) : آية ৯০])
অর্থাৎ আল্লাহ ন্যায়-নীতি, পরোপকার ও আত্মীয়-স্বজনদের দান করার হুকুম দেন এবং অশ্লীল-নির্লজ্জতা ও দুষ্কৃতি এবং অত্যাচার-বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন৷ তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষালাভ করতে পারো৷(সূরা-আন নাহল-৯০)
وَضَرَبَ اللَّهُ مَثَلاً رَجُلَيْنِ أَحَدُهُما أَبْكَمُ لا يَقْدِرُ عَلى شَيْءٍ وَهُوَ كَلٌّ عَلى مَوْلاهُ أَيْنَما يُوَجِّهْهُ لا يَأْتِ بِخَيْرٍ هَلْ يَسْتَوِي هُوَ وَمَنْ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَهُوَ عَلى صِراطٍ مُسْتَقِيمٍ (৭৬) [سورة النحل (১৬) : آية ৭৬]
অর্থাৎ আল্লাহ একটি উপমা দিচ্ছেন৷ দুজন লোক৷ একজন বধির ও বোবা, কোনো কাজ করতে পারে না৷ নিজের প্রভুর ঘাড়ে বোঝা হয়ে চেপে আছে৷ যেদিকেই তাকে পাঠায় কোনো ভালো কাজ তার দ্বারা হয়ে ওঠে না৷ দ্বিতীয়জন ইনসাফের হুকুম দেয় এবং নিজে সত্য সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত আছে৷ বলো, এরা দুজন কি সমান? (সূরা-আন নাহল-৭৬)
তাকওয়া (التَّقْوَى) অর্জনের দোআ:
মহান আল্লাহর নিকট আমরা প্রতি নামাজেই সিরাতাল মুস্তাকীম(সরল-সঠিক পথ)তথা হেদায়াতের দোআ করে থাকি।
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ (৬) سُورَة الْفَاتِحَة
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদেরকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করুন। (সূরা-আল ফাতিহা:৬)
আর মহানবী (স.)একই সাথে হেদায়াত ও তাকওয়ার দোআ করতেন।
হেদায়াত ও তাকওয়ার দোআ:
عَنْ عَبْدِ اللهِ بن مسعود، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: ্রاللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ وَالْغِنَىগ্ধ صحيح مسلم
অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। মহানবী (স.) বলতেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও অমুখাপেক্ষিতা কামনা করি। (সহীহ মুসলিম)
اللَّهُمَّ اجْمَعْ عَلَى الْهُدَى أَمْرَنَا، وَاجْعَلِ التَّقْوَى زَادَنَا، وَاجْعَلِ الْجَنَّةَ مَآبَنَا، وَزِدْنَا وَلَا تنْقصْنَا , وَأَعْطِنَا وَلَا تَحْرِمْنَا , وَأَكْرِمْنَا وَلَا تُهِنَّا , وَآثِرْنَا وَلَا تُؤْثِرْ عَلَيْنَا , وَأَرْضِنَا وَارْضَ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَلِوَالِدَيْنَا وَلِأئِمَّتِنَا وَلِمُعَلِّمِينَا وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيمَانِ مَغْفِرَةً وَعَزْمًا، بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ،
অর্থাৎ হে আল্লাহ! হেদায়াতের উপর আমাদের যাবতীয় কাজের আনজাম দিন, তাকওয়াকে আমাদের পাথেয় এবং জান্নাতকে আমাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে দিন। বাড়িয়ে দিন কমিয়েদিবেন না, দান করুন বি ত করবেন না, সম্মানিত করুন অপমানিত করবেন না, অনুপ্রানিত করুন নিরুৎসাহিত করবেন না, আমাদের উপর সন্তুষ্ট হোন এবং সন্তুষ্ট থাকুন। আমাদের পিতা-মাতা, দায়িত্বশীল, শিক্ষকবৃন্দ এবং যারা ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল তাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে দয়াময়!
সফরে তাকওয়ার দোআ:
اللهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اللهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا، وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ، اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ، اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ، وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِগ্ধ صحيح مسلم
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমরা আমাদের এ সফরে আপনার নিকট সততা ও তাকওয়া প্রার্থনা করছি এবং তোমার পছন্দনীয় কাজ করার সুযোগ চাই। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সফর প্রতিনিধী। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সফর-ক্লান্তি, অনাকাঙ্খিত দৃশ্য ও পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের অশুভ পরিবর্তণ থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। (সহীহ মুসলিম)
লিবাসুত তাকওয়ার দোআ:
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ كَانَ يَدْعُو: ্রاللَّهُمَّ أَلْبِسْنَا لِبَاسَ التَّقْوَى، وَأَلْزِمْنَا كَلِمَةَ التَّقْوَى، وَاجْعَلْنَا مِنْ أُولِي النُّهَى، وَأَمِتْنَا حِينَ تَرْضَى، وَأَدْخِلْنَا جَنَّةَ الْمَأْوَى، وَاجْعَلْنَا مِمَّنْ بَرَّ وَاتَّقَى، وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى، وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى গ্ধ مصنف ابن أبي شيبة
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে তাকওয়ার পোষাক পরিধান করার তৌফিক দিন।তাকওয়ার কথার (কালিমা তাইয়্যেবা) উপর অবিচল রাখুন, জ্ঞানীদের অন্তর্ভূক্ত করুন, আপনার সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিন, জান্নতুল মা’ওয়াতে প্রবেশের তৌফিক দিন মোত্তাকী ও সত্যবাদীদের অন্তর্ভূক্ত করুন এবং তাদের তালিকা ভূক্ত করুন যারা সত্যকে সাক্ষ্য দিয়েছে এবং নিজেকে নফসের কুপ্রবৃত্তি থেকে রক্ষা করেছে। (মুসান্নাফ ইব্ন আবী শাইবাহ)
অন্তরে তাকওয়ার দোআ:
اللهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا -رَوَاهُ مُسْلِمٌ
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরে তাকওয়া দান করুন এবং আমাদের অন্তরেকে পবিত্র করুন, আপনিইতো একমাত্র উহার পবিত্রকারী, অভিভাবক ও প্রভু। (সহীহ মুসলিম)
তাকওয়াহীন অন্তর থেকে আশ্রয়ের দোআ:
اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَاগ্ধ رَوَاهُ مُسْلِمٌ
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চারটি বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (১) এমন ইল্ম (বিদ্যা বা জ্ঞান) যা উপকারে আসেনা (২) এমন অন্তর যা আল্লাহকে ভয় পায়না তথা তাকওয়া হীন অন্তর (৩) এমন হৃদয় যা তৃপ্ত হয়না (৪)এমন দোয়া যা কবুল হয়না। (সহীহ মুসলিম)
তাকওয়ার (التَّقْوَى) উপকারিতা
গুনাহ মাফ
وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يُكَفِّرْ عَنْهُ سَيِّئاتِهِ وَيُعْظِمْ لَهُ أَجْراً [سورة الطلاق (৬৫) : آية ৫]
অর্থাৎ যে আল্লাহকে ভয় করবে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ মুছে ফেলবেন এবং তাকে বড় পুরস্কার দিবেন। (সূরা আত ত্বালাক-৫
১. তেলাওয়াতে কিতাব
২. তা’লীমে কিতাব বা কুর’আনের শিক্ষা দিতে হবে ।
৩. তা’লীমে হিক্মাহ বা জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করা।
৪. তাজকিয়ায়ে নফস বা আত্মশুদ্ধি করা।
৪. আদল ও কিস্ত (ন্যায় প্রতিষ্ঠা)
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَداءَ بِالْقِسْطِ وَلا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلى أَلاَّ تَعْدِلُوا اعْدِلُوا هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوى وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِما تَعْمَلُونَ [سورة المائدة (৫) : آية ৮]
অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ ! সত্যের ওপর স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত ও ইনসাফের সাক্ষ্যদাতা হয়ে যাও৷ কোন দলের শত্রুতা তোমাদেরকে যেন এমন উত্তেজিত না করে দেয় যার ফলে তোমরা ইনসাফ থেকে সরে যাও৷ ইনসাফ ও ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠিত করো৷ এটি আল্লাহভীতির সাথে বেশী সামঞ্জস্যশীল৷ আল্লাহকে ভয় করে কাজ করতে থাকো৷ তোমরা যা কিছু করো আল্লাহ সে সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত আছেন ৷(সূরা আল মায়েদাহ-৮)
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسانِ وَإِيتاءِ ذِي الْقُرْبى وَيَنْهى عَنِ الْفَحْشاءِ وَالْمُنْكَرِ وَالْبَغْيِ يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ [سورة النحل (১৬) : آية ৯০])
অর্থাৎ আল্লাহ ন্যায়-নীতি, পরোপকার ও আত্মীয়-স্বজনদের দান করার হুকুম দেন এবং অশ্লীল-নির্লজ্জতা ও দুষ্কৃতি এবং অত্যাচার-বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন৷ তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষালাভ করতে পারো৷(সূরা-আন নাহল-৯০)
وَضَرَبَ اللَّهُ مَثَلاً رَجُلَيْنِ أَحَدُهُما أَبْكَمُ لا يَقْدِرُ عَلى شَيْءٍ وَهُوَ كَلٌّ عَلى مَوْلاهُ أَيْنَما يُوَجِّهْهُ لا يَأْتِ بِخَيْرٍ هَلْ يَسْتَوِي هُوَ وَمَنْ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَهُوَ عَلى صِراطٍ مُسْتَقِيمٍ (৭৬) [سورة النحل (১৬) : آية ৭৬]
অর্থাৎ আল্লাহ একটি উপমা দিচ্ছেন৷ দুজন লোক৷ একজন বধির ও বোবা, কোনো কাজ করতে পারে না৷ নিজের প্রভুর ঘাড়ে বোঝা হয়ে চেপে আছে৷ যেদিকেই তাকে পাঠায় কোনো ভালো কাজ তার দ্বারা হয়ে ওঠে না৷ দ্বিতীয়জন ইনসাফের হুকুম দেয় এবং নিজে সত্য সঠিক পথে প্রতিষ্ঠিত আছে৷ বলো, এরা দুজন কি সমান? (সূরা-আন নাহল-৭৬)
তাকওয়া (التَّقْوَى) অর্জনের দোআ:
মহান আল্লাহর নিকট আমরা প্রতি নামাজেই সিরাতাল মুস্তাকীম(সরল-সঠিক পথ)তথা হেদায়াতের দোআ করে থাকি।
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ (৬) سُورَة الْفَاتِحَة
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদেরকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করুন। (সূরা-আল ফাতিহা:৬)
আর মহানবী (স.)একই সাথে হেদায়াত ও তাকওয়ার দোআ করতেন।
হেদায়াত ও তাকওয়ার দোআ:
عَنْ عَبْدِ اللهِ بن مسعود، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: ্রاللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ وَالْغِنَىগ্ধ صحيح مسلم
অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। মহানবী (স.) বলতেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা ও অমুখাপেক্ষিতা কামনা করি। (সহীহ মুসলিম)
اللَّهُمَّ اجْمَعْ عَلَى الْهُدَى أَمْرَنَا، وَاجْعَلِ التَّقْوَى زَادَنَا، وَاجْعَلِ الْجَنَّةَ مَآبَنَا، وَزِدْنَا وَلَا تنْقصْنَا , وَأَعْطِنَا وَلَا تَحْرِمْنَا , وَأَكْرِمْنَا وَلَا تُهِنَّا , وَآثِرْنَا وَلَا تُؤْثِرْ عَلَيْنَا , وَأَرْضِنَا وَارْضَ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَلِوَالِدَيْنَا وَلِأئِمَّتِنَا وَلِمُعَلِّمِينَا وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيمَانِ مَغْفِرَةً وَعَزْمًا، بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ،
অর্থাৎ হে আল্লাহ! হেদায়াতের উপর আমাদের যাবতীয় কাজের আনজাম দিন, তাকওয়াকে আমাদের পাথেয় এবং জান্নাতকে আমাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে দিন। বাড়িয়ে দিন কমিয়েদিবেন না, দান করুন বি ত করবেন না, সম্মানিত করুন অপমানিত করবেন না, অনুপ্রানিত করুন নিরুৎসাহিত করবেন না, আমাদের উপর সন্তুষ্ট হোন এবং সন্তুষ্ট থাকুন। আমাদের পিতা-মাতা, দায়িত্বশীল, শিক্ষকবৃন্দ এবং যারা ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল তাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে দয়াময়!
সফরে তাকওয়ার দোআ:
اللهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اللهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا، وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ، اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ، اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ، وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِগ্ধ صحيح مسلم
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমরা আমাদের এ সফরে আপনার নিকট সততা ও তাকওয়া প্রার্থনা করছি এবং তোমার পছন্দনীয় কাজ করার সুযোগ চাই। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সফর প্রতিনিধী। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সফর-ক্লান্তি, অনাকাঙ্খিত দৃশ্য ও পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের অশুভ পরিবর্তণ থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। (সহীহ মুসলিম)
লিবাসুত তাকওয়ার দোআ:
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ كَانَ يَدْعُو: ্রاللَّهُمَّ أَلْبِسْنَا لِبَاسَ التَّقْوَى، وَأَلْزِمْنَا كَلِمَةَ التَّقْوَى، وَاجْعَلْنَا مِنْ أُولِي النُّهَى، وَأَمِتْنَا حِينَ تَرْضَى، وَأَدْخِلْنَا جَنَّةَ الْمَأْوَى، وَاجْعَلْنَا مِمَّنْ بَرَّ وَاتَّقَى، وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى، وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى গ্ধ مصنف ابن أبي شيبة
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে তাকওয়ার পোষাক পরিধান করার তৌফিক দিন।তাকওয়ার কথার (কালিমা তাইয়্যেবা) উপর অবিচল রাখুন, জ্ঞানীদের অন্তর্ভূক্ত করুন, আপনার সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিন, জান্নতুল মা’ওয়াতে প্রবেশের তৌফিক দিন মোত্তাকী ও সত্যবাদীদের অন্তর্ভূক্ত করুন এবং তাদের তালিকা ভূক্ত করুন যারা সত্যকে সাক্ষ্য দিয়েছে এবং নিজেকে নফসের কুপ্রবৃত্তি থেকে রক্ষা করেছে। (মুসান্নাফ ইব্ন আবী শাইবাহ)
অন্তরে তাকওয়ার দোআ:
اللهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا -رَوَاهُ مُسْلِمٌ
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরে তাকওয়া দান করুন এবং আমাদের অন্তরেকে পবিত্র করুন, আপনিইতো একমাত্র উহার পবিত্রকারী, অভিভাবক ও প্রভু। (সহীহ মুসলিম)
তাকওয়াহীন অন্তর থেকে আশ্রয়ের দোআ:
اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ، وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَاগ্ধ رَوَاهُ مُسْلِمٌ
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চারটি বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (১) এমন ইল্ম (বিদ্যা বা জ্ঞান) যা উপকারে আসেনা (২) এমন অন্তর যা আল্লাহকে ভয় পায়না তথা তাকওয়া হীন অন্তর (৩) এমন হৃদয় যা তৃপ্ত হয়না (৪)এমন দোয়া যা কবুল হয়না। (সহীহ মুসলিম)
তাকওয়ার (التَّقْوَى) উপকারিতা
গুনাহ মাফ
وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يُكَفِّرْ عَنْهُ سَيِّئاتِهِ وَيُعْظِمْ لَهُ أَجْراً [سورة الطلاق (৬৫) : آية ৫]
অর্থাৎ যে আল্লাহকে ভয় করবে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ মুছে ফেলবেন এবং তাকে বড় পুরস্কার দিবেন। (সূরা আত ত্বালাক-৫
চলবে...............।।)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন