ডেস্কঃ
আমিতো সবকিছুই বললাম। আমাকে রিমান্ডে নিয়ে কি লাভ হবে বলে আদালতে প্রশ্ন রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।তিনি আরও বলেন, আমাকে রিমান্ডে নিয়ে কি হবে? আর যিনি আমাকে রিমান্ডে নেবেন তিনিই বা কি বুঝবেন? আদালতে শুনানিতে অংশ নিয়ে মান্না বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সেনা উস্কানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে মান্না বলেছেন তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ায় যেতে চান। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া তাকে তুলে নিয়ে যায় দাবি করে মান্না বলেন, তারা প্রথমে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করলো। এখন তারাই আবার রিমান্ডে নিতে চায়। এই রিমান্ডে নেয়ার দাবিরতো যৌক্তিকতা নেই। দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল আমার। সারা বিশ্বের মানুষ এটি জানে। টেলিফোন কথোপকথনে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার বিষয়ে কোন ধরণের কোন কথা আমি বলেনি। তিনি বলেন, আমি সব সময় পেট্রলবোমা ও সহিংসতার বিরোধী। আমি অসুস্থ মানুষ। চার পাঁচটি অসুখ। আমার রিমান্ডের প্রক্রিয়া বাতিল করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। সশস্ত্র বাহিনীকে বিদ্রোহে উসকানির অভিযোগে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান মান্নার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মান্নার আইনজীবী মহসিন মিয়া পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, রিমান্ডে নিয়ে অযথা আমার মক্কেলকে হয়রানি করা হবে। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ কারণে তাকে হয়রানি করতে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।অপরদিকে, রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু বলেন, মান্নাকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা আছে। তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। ওই অজ্ঞাতের পরিচয় জানতেই রিমান্ড চাওয়া।
আমিতো সবকিছুই বললাম। আমাকে রিমান্ডে নিয়ে কি লাভ হবে বলে আদালতে প্রশ্ন রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।তিনি আরও বলেন, আমাকে রিমান্ডে নিয়ে কি হবে? আর যিনি আমাকে রিমান্ডে নেবেন তিনিই বা কি বুঝবেন? আদালতে শুনানিতে অংশ নিয়ে মান্না বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সেনা উস্কানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে মান্না বলেছেন তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ায় যেতে চান। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন আইনী প্রক্রিয়া ছাড়া তাকে তুলে নিয়ে যায় দাবি করে মান্না বলেন, তারা প্রথমে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করলো। এখন তারাই আবার রিমান্ডে নিতে চায়। এই রিমান্ডে নেয়ার দাবিরতো যৌক্তিকতা নেই। দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল আমার। সারা বিশ্বের মানুষ এটি জানে। টেলিফোন কথোপকথনে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ ফেলার বিষয়ে কোন ধরণের কোন কথা আমি বলেনি। তিনি বলেন, আমি সব সময় পেট্রলবোমা ও সহিংসতার বিরোধী। আমি অসুস্থ মানুষ। চার পাঁচটি অসুখ। আমার রিমান্ডের প্রক্রিয়া বাতিল করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। সশস্ত্র বাহিনীকে বিদ্রোহে উসকানির অভিযোগে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান মান্নার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মান্নার আইনজীবী মহসিন মিয়া পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, রিমান্ডে নিয়ে অযথা আমার মক্কেলকে হয়রানি করা হবে। তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ কারণে তাকে হয়রানি করতে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।অপরদিকে, রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আবু বলেন, মান্নাকে রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা আছে। তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। ওই অজ্ঞাতের পরিচয় জানতেই রিমান্ড চাওয়া।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন