আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা ও তাঁর অনুসারীদের অত্যাচারের কারণে কয়েক
বছরে যশোরের শার্শা উপজেলার শাঁখারীপোতা গ্রামের ৩১টি হিন্দু পরিবার
দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদে গতকাল সোমবার
বেলা ১১টার দিকে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হয়।
সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। এতে বক্তব্য দেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যশোরের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ দত্ত, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি প্রসেনজিৎ ঠাকুর প্রমুখ।
সন্তোষ দত্ত বলেন, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও তাঁর অনুসারীদের দখলে থাকা স্থানীয় ধান্যখোলা বাঁওড়ে জেলে সম্প্রদায়ের কাউকে মাছ ধরতে নামতে দেওয়া হয় না। প্রতিবাদ করতে গেলেই অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়। অত্যাচারের শিকার হয়ে কয়েক বছরে অন্তত ৩১টি জেলে পরিবার এলাকা ছেড়ে ভারতে চলে গেছে। এ ঘটনায় যাঁরাই জড়িত থাক, তাঁদের বিচার করতে হবে।
অন্য বক্তারা হিন্দু ও মুসলিমদের পাশাপাশি বসবাসের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিপক্ষ হিন্দুদের একটি অংশ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’ তিনি আরও বলেন, বাহাদুরপুর কালিয়ানি মৎস্যজীবী সমিতির নামে সরকারের কাছ থেকে বাঁওড়টি ইজারা নিয়ে লভ্যাংশের ৪০ শতাংশ সমিতিকে দেওয়ার চুক্তিতে ১৫ বছর ধরে তিনি মাছ চাষ করছেন। মাছ চাষের খরচসহ বাঁওড়ের যাবতীয় খরচ তিনি বহন করেন।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মফিজুর বলেন, এখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ লোকের ভারতে আত্মীয়স্বজন রয়েছে। সাত-আটটি পরিবার ইতিমধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে সত্য। তবে তারা নিজেদের প্রয়োজনেই গেছে।
সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। এতে বক্তব্য দেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যশোরের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ দত্ত, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি প্রসেনজিৎ ঠাকুর প্রমুখ।
সন্তোষ দত্ত বলেন, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও তাঁর অনুসারীদের দখলে থাকা স্থানীয় ধান্যখোলা বাঁওড়ে জেলে সম্প্রদায়ের কাউকে মাছ ধরতে নামতে দেওয়া হয় না। প্রতিবাদ করতে গেলেই অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়। অত্যাচারের শিকার হয়ে কয়েক বছরে অন্তত ৩১টি জেলে পরিবার এলাকা ছেড়ে ভারতে চলে গেছে। এ ঘটনায় যাঁরাই জড়িত থাক, তাঁদের বিচার করতে হবে।
অন্য বক্তারা হিন্দু ও মুসলিমদের পাশাপাশি বসবাসের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিপক্ষ হিন্দুদের একটি অংশ নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’ তিনি আরও বলেন, বাহাদুরপুর কালিয়ানি মৎস্যজীবী সমিতির নামে সরকারের কাছ থেকে বাঁওড়টি ইজারা নিয়ে লভ্যাংশের ৪০ শতাংশ সমিতিকে দেওয়ার চুক্তিতে ১৫ বছর ধরে তিনি মাছ চাষ করছেন। মাছ চাষের খরচসহ বাঁওড়ের যাবতীয় খরচ তিনি বহন করেন।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মফিজুর বলেন, এখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ লোকের ভারতে আত্মীয়স্বজন রয়েছে। সাত-আটটি পরিবার ইতিমধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে সত্য। তবে তারা নিজেদের প্রয়োজনেই গেছে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন