ন্যাংটো বিচের কথা শোনা গেছে, ন্যাংটো অবকাশ যাপন কেন্দ্রের কথা শোনা
হয়েছে কিন্তু তাই বলে ন্যাংটো গ্রাম! জি হ্যাঁ…পুরো একটি গ্রাম, যেখানে
সবাই বস্ত্রহীন। এবার এমনই একটি গ্রামের কথা শোনাব আপনাদের।
যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ারে অবস্থিত এ গ্রামের নাম স্পিলপ্লাজ। প্রথম দর্শনে একে আর দশটি গ্রামের মতোই মনে হবে। ছবির মতো সুন্দর, বেশ পরিপাটি। কিন্তু আপনার ধারণা পাল্টাতে শুরু করবে যখন আপনি এই গ্রামের কোনো বাসিন্দার দেখা পাবেন। এই গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামটিকে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরনো নগ্নতাবাদী অঞ্চল বলে দাবি করে।
যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ারে অবস্থিত এ গ্রামের নাম স্পিলপ্লাজ। প্রথম দর্শনে একে আর দশটি গ্রামের মতোই মনে হবে। ছবির মতো সুন্দর, বেশ পরিপাটি। কিন্তু আপনার ধারণা পাল্টাতে শুরু করবে যখন আপনি এই গ্রামের কোনো বাসিন্দার দেখা পাবেন। এই গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামটিকে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরনো নগ্নতাবাদী অঞ্চল বলে দাবি করে।
তারা এতটাই নগ্নতাবাদী যে আপনি যদি তাদের মতের সাথে একমত না হন তাহলে সেই
গ্রামের কেউ আপনার কাছে জায়গা-জমি, বাড়ি-ঘর কিচ্ছু বিক্রি করবে না।
ভাবছেন এতদিন পর এই গ্রাম নিয়ে খবর প্রকাশের মানে কি? মানে হলো এত দিন এই গ্রামের বাসিন্দারা নিজেদের মতো করে থাকতেই পছন্দ করতেন। তাই তাদের খবর খুব কম লোকই জানত। কিন্তু এবার মোর-৪ নামের একটি টিভি চ্যানেল সেই গ্রামের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রা নিয়ে একটি ধারাবাহিক ডকুমেন্টরি তৈরি করছে। ফলে আবার আলোচনায় চলে এল স্পিলপ্লাজ।
এই গ্রামের বাসিন্দা ৮৫ বছর বয়সী ইছিয়ুট রিচার্ডসন বলেন, আমি বুঝি না এটা নিয়ে এত হৈচৈ করার কি আছে। আমি তো অন্য গ্রামের সাথে এই গ্রামের কোনো পার্থক্য দেখি না। ওরা যে ভাবে জীবন ধারণ করে আমরাও সেইভাবে করি। সকালে ঘুম থেকে উঠি, দিনের কাজ শুরু করি, বাজারে যাই, পানশালায় যাই, দুধওয়ালা, পোষ্টম্যানরা আমাদের বাড়িতে আসে। সবই তো স্বাভাবিত, অস্বাভাবিক তো কিছু দেখি না। আমরা শুধু বস্ত্রহীন থাকি, এই যা।
ভাবছেন এতদিন পর এই গ্রাম নিয়ে খবর প্রকাশের মানে কি? মানে হলো এত দিন এই গ্রামের বাসিন্দারা নিজেদের মতো করে থাকতেই পছন্দ করতেন। তাই তাদের খবর খুব কম লোকই জানত। কিন্তু এবার মোর-৪ নামের একটি টিভি চ্যানেল সেই গ্রামের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রা নিয়ে একটি ধারাবাহিক ডকুমেন্টরি তৈরি করছে। ফলে আবার আলোচনায় চলে এল স্পিলপ্লাজ।
এই গ্রামের বাসিন্দা ৮৫ বছর বয়সী ইছিয়ুট রিচার্ডসন বলেন, আমি বুঝি না এটা নিয়ে এত হৈচৈ করার কি আছে। আমি তো অন্য গ্রামের সাথে এই গ্রামের কোনো পার্থক্য দেখি না। ওরা যে ভাবে জীবন ধারণ করে আমরাও সেইভাবে করি। সকালে ঘুম থেকে উঠি, দিনের কাজ শুরু করি, বাজারে যাই, পানশালায় যাই, দুধওয়ালা, পোষ্টম্যানরা আমাদের বাড়িতে আসে। সবই তো স্বাভাবিত, অস্বাভাবিক তো কিছু দেখি না। আমরা শুধু বস্ত্রহীন থাকি, এই যা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন