সৌরশক্তি চালিত বিমান নিয়ে বিশ্বভ্রমনে বের হতে যাচ্ছেন সুইজারল্যান্ডের দুই ব্যক্তি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকবার এ ধরনের বিমান নিয়ে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন করেছেন তারা। বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে আগামী মার্চেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে তাদের বিশ্ব ভ্রমণ।
২০০৩ সালে সোলার ইমপালস প্রকল্প শুরু করেন সুইস মনোবিজ্ঞানী ও বিমান-উড্ডয়নবিদ বার্ট্রান্ড পিকার্ড ও ব্যবসায়ী ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ। বিমান উড্ডয়নে সৌর শক্তির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা শুরু করেন তারা।
এবার তাদের তৈরী সৌরশক্তি চালিত বিমান নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন বার্ট্রান্ড ও বোর্সবার্গ। আবুধাবিতে শুরু হওয়া এ ভ্রমণে বিমানটি নিয়ে বারোটি দেশ সফর করবেন তারা।
সোলার ইমপালসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ জানান,” সৌরশক্তি চালিত বিমানের জন্য সবার আগে দরকার এমন একটি বিমান যা কম শক্তি ব্যবহার করবে। আমরা তেমন প্রযুক্তিই ব্যবহার করছি যা আপনি বাসা বাড়িতে ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারেন। এটাই বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই আমরা।”
বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই এই প্রকল্প, জানালেন এর প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড।
সোলার ইমপালসের প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড জানান,” আজ যখন বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তির কথা বলা হচ্ছে তখন অনেকেই সন্দেহ পোষণ করছেন যে এর খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে। অথবা এটা খুব একটা নির্ভরযোগ্য হবে না। সৌরশক্তি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে বিমান চালিয়ে আমরা বিভিন্ন দেশের সরকার ও করপোরেশনগুলোকে এই বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”
আগামী মাসের তিন তারিখে বিমানটি নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করার কথা রয়েছে সুইজারল্যান্ডের এই দুই নাগরিকের।
Mt
সৌরশক্তি
চালিত বিমান নিয়ে বিশ্বভ্রমনে বের হতে যাচ্ছেন সুইজারল্যান্ডের দুই
ব্যক্তি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকবার এ ধরনের বিমান নিয়ে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন
করেছেন তারা। বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ
করতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে আগামী মার্চেই শুরু হওয়ার কথা
রয়েছে তাদের বিশ্ব ভ্রমণ।
২০০৩ সালে সোলার ইমপালস প্রকল্প শুরু করেন সুইস মনোবিজ্ঞানী ও বিমান-উড্ডয়নবিদ বার্ট্রান্ড পিকার্ড ও ব্যবসায়ী ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ। বিমান উড্ডয়নে সৌর শক্তির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা শুরু করেন তারা।
এবার তাদের তৈরী সৌরশক্তি চালিত বিমান নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন বার্ট্রান্ড ও বোর্সবার্গ। আবুধাবিতে শুরু হওয়া এ ভ্রমণে বিমানটি নিয়ে বারোটি দেশ সফর করবেন তারা।
সোলার ইমপালসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ জানান,” সৌরশক্তি চালিত বিমানের জন্য সবার আগে দরকার এমন একটি বিমান যা কম শক্তি ব্যবহার করবে। আমরা তেমন প্রযুক্তিই ব্যবহার করছি যা আপনি বাসা বাড়িতে ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারেন। এটাই বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই আমরা।”
বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই এই প্রকল্প, জানালেন এর প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড।
সোলার ইমপালসের প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড জানান,” আজ যখন বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তির কথা বলা হচ্ছে তখন অনেকেই সন্দেহ পোষণ করছেন যে এর খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে। অথবা এটা খুব একটা নির্ভরযোগ্য হবে না। সৌরশক্তি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে বিমান চালিয়ে আমরা বিভিন্ন দেশের সরকার ও করপোরেশনগুলোকে এই বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”
আগামী মাসের তিন তারিখে বিমানটি নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করার কথা রয়েছে সুইজারল্যান্ডের এই দুই নাগরিকের।
- See more at: http://independent24.tv/2015/03/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d/#sthash.Q1A3bX0X.dpuf
২০০৩ সালে সোলার ইমপালস প্রকল্প শুরু করেন সুইস মনোবিজ্ঞানী ও বিমান-উড্ডয়নবিদ বার্ট্রান্ড পিকার্ড ও ব্যবসায়ী ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ। বিমান উড্ডয়নে সৌর শক্তির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা শুরু করেন তারা।
এবার তাদের তৈরী সৌরশক্তি চালিত বিমান নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন বার্ট্রান্ড ও বোর্সবার্গ। আবুধাবিতে শুরু হওয়া এ ভ্রমণে বিমানটি নিয়ে বারোটি দেশ সফর করবেন তারা।
সোলার ইমপালসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পাইলট অঁদ্রে বোর্সবার্গ জানান,” সৌরশক্তি চালিত বিমানের জন্য সবার আগে দরকার এমন একটি বিমান যা কম শক্তি ব্যবহার করবে। আমরা তেমন প্রযুক্তিই ব্যবহার করছি যা আপনি বাসা বাড়িতে ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারেন। এটাই বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই আমরা।”
বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই এই প্রকল্প, জানালেন এর প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড।
সোলার ইমপালসের প্রধান বার্ট্রান্ড পিকার্ড জানান,” আজ যখন বিকল্প ও নবায়নযোগ্য শক্তির কথা বলা হচ্ছে তখন অনেকেই সন্দেহ পোষণ করছেন যে এর খরচ নিশ্চয়ই বেশি হবে। অথবা এটা খুব একটা নির্ভরযোগ্য হবে না। সৌরশক্তি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে বিমান চালিয়ে আমরা বিভিন্ন দেশের সরকার ও করপোরেশনগুলোকে এই বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”
আগামী মাসের তিন তারিখে বিমানটি নিয়ে বিশ্ব ভ্রমণ শুরু করার কথা রয়েছে সুইজারল্যান্ডের এই দুই নাগরিকের।
- See more at: http://independent24.tv/2015/03/02/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d/#sthash.Q1A3bX0X.dpuf


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন