সর্বশেষ

আন্দোলন চলছে ,চলবে


‘যৌক্তিক পরিণতিতে’ না পৌঁছানো পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ‘কষ্ট স্বীকার করে হলেও’ তাতে যোগ দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিনে ডাকা টানা অবরোধের ৬৭তম দিন শুক্রবার নিজের গুলশানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে আসেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া, যার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
তিনি বলেন, “শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং একের পর এক উসকানিমূলক আচরণ করে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটানো হচ্ছে। কাজেই যৌক্তিক পরিণতিতে পৌঁছানো না পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”
প্রায় ৪৫ মিনিটের এই সংবাদ সম্মেলনে দেশকে ‘ধ্বংসের হাত থেকে’ রক্ষা করতে তিনটি দফায় পুরনো দাবিগুলোই নতুন করে তুলে ধরেন ২০ দলীয় জোটনেত্রী খালেদা, গত নির্বাচন বয়কট করে যিনি এখন অনেকটাই নাজুক পরিস্থিতিতে আছেন।
তার তিন দফা হলো- 
খালেদা জিয়া বলেন, “আমাদের বিশ্বাস এই প্রক্রিয়াতেই আমরা সমস্যা সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।”
পরে বিষয়টি আরও বিশদ করে তিনি বলেন, “একতরফাভাবে যে বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী তারা পাস করেছে তা তারা একতরফাভাবে বাতিলও করে দিতে পারে। তাতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের পথ খুলবে। এই সংশোধনীর পর বর্তমান ক্ষমতাসীনেরা পদত্যাগ করে নতুন নির্বাচনের ব্যবস্থাকরলেই দেশে সংকটের অবসান ঘটবে।”
দুই মাসের বেশি সময় ধরে লাগাতার অবরোধ ও হরতালে জনদুর্ভোগ, বিএনপির আন্দোলন কৌশল এবং খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রচুর জিজ্ঞাসা থাকলেও লিখিত বক্তব্যের পর খালেদা জিয়া কোনো প্রশ্ন নেননি।
সংবাদ সম্মেলন শেষে পুলিশ ও কার্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীরা মিলে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের বের করে দেন।
অন্যদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও মাহবুব আলম ডিউক এবং মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
‘হাসিনাকে বিশ্বাস ভুল ছিল’
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতেই বিএনপি ও শরিকরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দেয়। ভোট ঠেকাতে তাদের আন্দোলনে ব্যাপক সহিংসতায় সারা দেশে নিহত হন শতাধিক মানুষ।
বিএনপিহীন ওই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।
নির্বাচনে বিজয়ের পর ‘জামায়াতের সঙ্গ ও সহিংসতা’ ছেড়ে আলোচনায় আসার জন্য খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু পরে বিএনপিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করে সংলাপের সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

prottoy news24 | Distributed By pnbd24.com | Designed By pnbd24.com

rusm থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.