জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দান। রাষ্ট্র তার এই ভূমিকা থেকে কখনোই পিছপা হতে পারে না। রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কখনো বরদাশত করা যায় না।
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিজানুর রহমান এসব কথা বলেন।
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিজানুর রহমান এসব কথা বলেন।
হুমকির মুখে মানবাধিকার: আমাদের করণীয় শীর্ষক এ আলোচনা সভায় মানবাধিকার কর্মী, ফরাসি, নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সামনে বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
মিজানুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের রুখতে রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তবে মানবাধিকারের মৌলিক নীতিমালা যাতে লঙ্ঘন না হয়, এদিকে সচেতনভাবে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছে।
মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, আইন কমিশনের সদস্য শাহ আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
মিজানুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের রুখতে রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তবে মানবাধিকারের মৌলিক নীতিমালা যাতে লঙ্ঘন না হয়, এদিকে সচেতনভাবে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছে।
মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, আইন কমিশনের সদস্য শাহ আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন