সর্বশেষ

শেখ মুজিবের মত মান্নাও জনপ্রিয়তা পাবেঃসাদেক হোসেন খোকা

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সে সময়কার আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা অস্বাভাবিকভাবে যেমন বেড়ে গিয়েছিল তেমনিভাবে আজকের প্রেক্ষাপটে মাহমুদুর রহমান মান্নার জনপ্রিয়তাও বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।

তিনি বলেন, ফাঁস হওয়া দুটি টেলিফোন আলোচনায় মান্না যেসব কথাবার্তা বলেছেন, সেগুলো তো দেশের ৮০ ভাগ মানুষের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন ও গণবিরোধী সরকারের দৃষ্টিতে এসব কথা অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ এসব কথায় বরং খুশিই হয়েছে। মান্নাকে কথিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার, রিমান্ড এবং তার বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপপ্রচার তাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং শেষ বিচারে তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হবেন। মান্নার তথাকথিত এই ষড়যন্ত্রের ঘটনার সঙ্গে ইতিহাসের বহুল আলোচিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অনেকখানিই মিল রয়েছে।
গত সপ্তাহে ফাঁস হওয়া মাহমুদুর রহমান মান্নার দুটি টেলিফোন কথোপকথনের একটিতে তিনি কথা বলেছিলেন সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে। ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুকাল যাবৎ নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বিএনপির প্রভাবশালী নেতা সাদেক হোসেন খোকা মনে করেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পটভূমিতে মাহমুদুর রহমান মান্না ও তাঁর মধ্যকার কথোপকথন খুবই স্বাভাবিক একটি আলোচনা। এখানে কোনো অন্যায্য আলোচনা বা ষড়যন্ত্রের ব্যাপার নেই। তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেই তো সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্রকারী। তারা ষড়যন্ত্রমূলক একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখলের পর এখন দেশের জনগণকে জিম্মি করে তাদের বিরূদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তাই এই বেআইনি সরকারকে বিদায় করার আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় ষড়যন্ত্রের কি আছে?
এক প্রশ্নের জবাবে সাদেক হোসেন খোকা বলেন, অপর যে ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার কথোপকথন হয়েছে, তার সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। তবে কথোপকথন শুনে মনে হয়েছে, লোকটি মান্নার অপরিচিত এবং তাদের কখনো দেখা-সাক্ষাত হয়নি। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই কথোপকথনের ট্রান্সক্রিপ্ট পড়ে আমার কাছে খুব স্বাভাবিক আলোচনাই মনে হয়েছে। দুটি টেলিফোন আলাপচারিতায়ই মাহমুদুর রহমান মান্না যেসব কথা বলেছেন, তা দেশের অন্তত ৮০ ভাগ মানুষের মনের কথা। এ কথা সকলেরই জানা যে, মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং পরে এই দেশে যত আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, তার সবগুলোরই প্রাণকেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু বর্তমান স্বেচ্ছাচারী সরকার ক্ষমতায় আরোহনের পর থেকে দেশের অন্যসব প্রতিষ্ঠানের মতো মুক্তবুদ্ধি চর্চার পীঠস্থান খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও সম্পূর্ণরূপে একটি দলীয় আখড়ায় পরিণত করেছে। ভিন্নমতকে এই প্রতিষ্ঠান থেকে রীতিমতো নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের সকল অপকর্মের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। এই পটভূমিতে চলমান গণ-আন্দোলনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সম্প্রসারিত করা তথা ছাত্রসমাজকে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার যৌক্তিক প্রসঙ্গটি নিয়েই মান্না আলোচনা করেন। সেখানে আওয়ামী প্রচার-সন্ত্রাসীদের ভাষায় 'লাশ ফেলে দেওয়া'র কোনো কথাই ছিল না। তিনি কেবল বিরাজমান পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন সম্প্রসারিত করতে গেলে কি ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে সেই আশঙ্কার কথাই উল্লেখ করেন। তার এই বাস্তব সত্য উচ্চারণকে বিকৃত করে প্রচার-সন্ত্রাসীরা ঝড় তুলতে চাইলেও সরকারের লাগাতার গণহত্যার ব্যাপারে তারা একেবারে চুপ।
সাদেক হোসেন খোকা বলেন, সবদিক বিবেচনা করে বর্তমান সরকারকে তুলনা করা যেতে পারে শুধু ইয়াহিয়া খানের দখলদার সরকারের সঙ্গে। সম্পূর্ণরূপে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে এই সরকার এখন কেবলমাত্র রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে জনগণের বিরূদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখলে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা হলো, এ ধরনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জনগণেরই জয় হয়, এবারও হবে।
Mt
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সে সময়কার আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তা অস্বাভাবিকভাবে যেমন বেড়ে গিয়েছিল তেমনিভাবে আজকের প্রেক্ষাপটে মাহমুদুর রহমান মান্নার জনপ্রিয়তাও বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।
তিনি বলেন, ফাঁস হওয়া দুটি টেলিফোন আলোচনায় মান্না যেসব কথাবার্তা বলেছেন, সেগুলো তো দেশের ৮০ ভাগ মানুষের বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন ও গণবিরোধী সরকারের দৃষ্টিতে এসব কথা অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষ এসব কথায় বরং খুশিই হয়েছে। মান্নাকে কথিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার, রিমান্ড এবং তার বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপপ্রচার তাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং শেষ বিচারে তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হবেন। মান্নার তথাকথিত এই ষড়যন্ত্রের ঘটনার সঙ্গে ইতিহাসের বহুল আলোচিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অনেকখানিই মিল রয়েছে।
গত সপ্তাহে ফাঁস হওয়া মাহমুদুর রহমান মান্নার দুটি টেলিফোন কথোপকথনের একটিতে তিনি কথা বলেছিলেন সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে। ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুকাল যাবৎ নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বিএনপির প্রভাবশালী নেতা সাদেক হোসেন খোকা মনে করেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পটভূমিতে মাহমুদুর রহমান মান্না ও তাঁর মধ্যকার কথোপকথন খুবই স্বাভাবিক একটি আলোচনা। এখানে কোনো অন্যায্য আলোচনা বা ষড়যন্ত্রের ব্যাপার নেই। তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার নিজেই তো সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্রকারী। তারা ষড়যন্ত্রমূলক একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখলের পর এখন দেশের জনগণকে জিম্মি করে তাদের বিরূদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তাই এই বেআইনি সরকারকে বিদায় করার আন্দোলনের প্রক্রিয়ায় ষড়যন্ত্রের কি আছে?
এক প্রশ্নের জবাবে সাদেক হোসেন খোকা বলেন, অপর যে ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার কথোপকথন হয়েছে, তার সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। তবে কথোপকথন শুনে মনে হয়েছে, লোকটি মান্নার অপরিচিত এবং তাদের কখনো দেখা-সাক্ষাত হয়নি। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই কথোপকথনের ট্রান্সক্রিপ্ট পড়ে আমার কাছে খুব স্বাভাবিক আলোচনাই মনে হয়েছে। দুটি টেলিফোন আলাপচারিতায়ই মাহমুদুর রহমান মান্না যেসব কথা বলেছেন, তা দেশের অন্তত ৮০ ভাগ মানুষের মনের কথা। এ কথা সকলেরই জানা যে, মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং পরে এই দেশে যত আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, তার সবগুলোরই প্রাণকেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু বর্তমান স্বেচ্ছাচারী সরকার ক্ষমতায় আরোহনের পর থেকে দেশের অন্যসব প্রতিষ্ঠানের মতো মুক্তবুদ্ধি চর্চার পীঠস্থান খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও সম্পূর্ণরূপে একটি দলীয় আখড়ায় পরিণত করেছে। ভিন্নমতকে এই প্রতিষ্ঠান থেকে রীতিমতো নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের সকল অপকর্মের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। এই পটভূমিতে চলমান গণ-আন্দোলনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সম্প্রসারিত করা তথা ছাত্রসমাজকে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার যৌক্তিক প্রসঙ্গটি নিয়েই মান্না আলোচনা করেন। সেখানে আওয়ামী প্রচার-সন্ত্রাসীদের ভাষায় 'লাশ ফেলে দেওয়া'র কোনো কথাই ছিল না। তিনি কেবল বিরাজমান পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন সম্প্রসারিত করতে গেলে কি ধরনের মূল্য দিতে হতে পারে সেই আশঙ্কার কথাই উল্লেখ করেন। তার এই বাস্তব সত্য উচ্চারণকে বিকৃত করে প্রচার-সন্ত্রাসীরা ঝড় তুলতে চাইলেও সরকারের লাগাতার গণহত্যার ব্যাপারে তারা একেবারে চুপ।
সাদেক হোসেন খোকা বলেন, সবদিক বিবেচনা করে বর্তমান সরকারকে তুলনা করা যেতে পারে শুধু ইয়াহিয়া খানের দখলদার সরকারের সঙ্গে। সম্পূর্ণরূপে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে এই সরকার এখন কেবলমাত্র রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে জনগণের বিরূদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা জবরদখলে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা হলো, এ ধরনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জনগণেরই জয় হয়, এবারও হবে। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/nrb/2015/03/01/193513#sthash.S8FB3ZNC.dpuf

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

prottoy news24 | Distributed By pnbd24.com | Designed By pnbd24.com

rusm থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.