কারাগার হচ্ছে খালেদা জিয়ার নিরাপদ আশ্রয় সংষদে জানিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল দশম জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের ২৭তম
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে
প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেগম জিয়া এখন জনবিচ্ছিন্ন, তাই তিনি একটু মিডিয়া কাভারেজ পেতে নাজিমউদ্দিন রোডকেই (কেন্দ্রীয় কারাগার) বেছে নিতে চাইছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সত্যি যে বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত জোট আন্দোলনের নামে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ খুন করা এবং দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার কার্যাক্রম চালাচ্ছে। তাদের আন্দোলনে জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে না। তাদের আন্দোলন হচ্ছে মানুষ খুন করা, সাধারণ মানুষকে পুড়ানো। সবচেয়ে দুঃখ লাগে গত ছয় বছর আমরা সরকার পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তসামাজিকভাবে উন্নতি হচ্ছে, মানুষের ভেতরে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। আমরা প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে এই বছর জানুয়ারি থেকে বিএনপি এবং জামায়াত, বিশেষ করে আমাদের দেশে এখন একজন জঙ্গি নেত্রীর উত্থান হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকলে উনার (খালেদা জিয়ার) অসুখ হয়। মানুষ যদি একটু শান্তিতে থাকলে উনার মনে অশান্তি হয়। যাই হোক উনি যা করছেন দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হোক আর আমরা যা করে যাচ্ছি আমাদের রপ্তানী যেন অব্যাহত থাকে। আমাদের গার্মেন্টস শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে যথেষ্ট চেস্ট করেছেন। তবে দেশবাসীর সহযোগিতা আমরা পেয়েছি, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সকলই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সচেস্ট রয়েছে।
তিনি বলেন, এতে কারা জড়িত এতে সকল দলই জড়িত, ক্ষতিগ্রস্থ হলে সব দলের লোকই হবে এবং উনি এমন একটি ভয়ংকর রুদ্র মূর্তি নিয়ে আজকে আবির্ভূত হয়েছেন। যে কার ক্ষতি হচ্ছে তা তিনি দেখছেন না। এগুলো করে আজকে তিনি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে কিন্তু আমরা দক্ষতার সাথে সকল বিষয় মোকাবেলা করছি। আশা করি আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছুতে পারবো। সেজন্য আমরা দেশবাসীর সহযোগিতায় পাচ্ছি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ বলেছেন, সীমা লঘ্ননকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাই আজকে মানুষকে পুড়িয়ে মারছেন। শিশু থেকে শুরু করে আন্তঃসত্তা মহিলাকাউকেই ছাড়ছেন না। কারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা ও মানুষ খুন করা, দেশের ক্ষতি করা এটাই যেন জঙ্গি নেত্রী খালেদা জিয়ার কাজ। আলালতকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। আদালতের নির্দেশও তিনি মানবেন না। তিনি কোর্টে যাবেন না।
তিনি বলেন, এই ধরণের অবস্থায় আজকে বাংলাদেশের নিজস্ব আদালতের মর্যাদা লঘ্নন করছেন। এই অবস্থায় ভবিষতে আদালতও মানবেন না। আমি আশ্বস্থ করতে চাই, এই জঙ্গি কর্মকান্ড যখন থেকে শুরু করেছেন আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বগত দুই মাস ধরে দিনরাত অকালন্ত পরিশ্রম করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না বিএনপি নেত্রী কোটে কেন গেলেন না। উনার নাকি নিরাপত্তার অভাব। সেটা আমি শুনেছি, উনার আইনজীবিদের মাধ্যমে। উনাকে নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রত্যেকটা দিন যিনি মানুষ খুন করছে, হত্যা করছে, পেট্রোল বোমা মারাচ্ছে তারই নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে আমাকে। কি দুঃভাগ্য, চিন্তা করে দেখেন। তারপরও যাতে আইনের শাসন চলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি গেলেন না। এখন বাস্তবতা হচ্ছে আইনে যা আছে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, আমার যেটা মনে হচ্ছে যে জঙ্গি তৎপরতার জন্য আজকে মানুষের কাছে তিনি (খালেদা জিয়া) ঘৃণ্য, মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন একটা পরিস্থিতিতে গেছে যে, তিনি নিজেকে নিজেই অফিসে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। যখন নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ চাইলো পুলিশ দেয়া হলো। তখন বললো পুলিশ দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ সরিয়ে দেয়া হলো, কেন সরানো হলো- নিরাপত্তার অভাব। তাহলে আমরা যাব কোথায়?
তিনি বলেন, প্রতিটি কর্ম দিবসে হরতাল দিয়ে সমস্ত কর্মকান্ডকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আজকে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষকে খুন করা হচ্ছে। আর খুনের যে বিচার তা দেশের প্রচলিত আইনেই হবে। আর আইন আদালতকে কেউ যদি অবমাননা করেনম কোট যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই বিচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আমার একটা বিশ্বাস, উনি যেহেতু গণহত্যা চালিয়ে, জঙ্গিবাদী তৎপরতা চালিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। মানুষের ভয়ে থাকছেন, উনি বোধ হয় ভাবছেন কারাগারই উনার সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। উনি নিজেই চাচ্ছেন, উনাকে অ্যারেস্ট করা হোক আর কারাগারে প্রেরণ করা হোক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনার তো নাটকের অভ্যাস আছে। কাজেই নটাংকিপনা যাকে বলে, সেই নটাংকিপনা করার অভ্যাস আছে, একটু প্রচার-প্রচারোনায় যাতে আসতে পারেন সেই চেস্টাটা করে যাচ্ছেন। তাই উনি চান নিজেই নিজেকে গ্রেফতার করে জনগণ থেকে বাঁচা আর অপরদিকে ওই নটাংকিপনা দেখিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। নইলে নিজেই নিজের রুমের মধ্যে বসে আছেন।
এই জঙ্গি
নেত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। এই জঙ্গি নেত্রী আইন মানেন না, আদালত
মানেন না, নিয়ম মানেন না, সংবিধান মানেন না। উনার এখন একটাই কাজ হচ্ছে, তার
জঙ্গি শক্তি দেখানো ও মানুষ খুন করা। যার ফলে রপ্তানীকে বাধাগ্রস্থ করা
এবং পুরো অর্থনীতিকে ধ্বংস করে মানুষকে বিপদে ফেলার সেই পথ তিনি করে
যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে মানুষ ভালো থাকলে উনার ভালো লাগে না।
কারাগারই খালেদা জিয়ার জন্য নিরাপদ জায়গা বলে সংসদকে জানিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার দশম জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের ২৭তম
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে
প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, উনি (বেগম জিয়া) এখন জনবিচ্ছিন্ন, তাই তিনি একটু মিডিয়া কাভারেজ পেতে নাজিমউদ্দিন রোডকেই (কেন্দ্রীয় কারাগার) বেছে নিতে চাইছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সত্যি যে বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত জোট আন্দোলনের নামে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ খুন করা এবং দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার কার্যাক্রম চালাচ্ছে। তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে না। তাদের আন্দোলনের মানেই হচ্ছে মানুষ খুন করা, সাধারণ মানুষকে পুড়ানো। সবচেয়ে দুঃখ লাগে গত ছয় বছর আমরা সরকার পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তসামাজিকভাবে উন্নতি হচ্ছে, মানুষের ভেতরে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। আমরা প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে এই বছর জানুয়ারি থেকে বিএনপি এবং জামায়াত। বিশেষ করে আমাদের দেশে এখন একজন জঙ্গি নেত্রীর উত্থান হয়েছে। এই জঙ্গি নেত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। এই জঙ্গি নেত্রী আইন মানেন না, আদালত মানেন না, নিয়ম মানেন না, সংবিধান মানেন না। উনার এখন একটাই কাজ হচ্ছে, তার জঙ্গি শক্তি দেখানো ও মানুষ খুন করা। যার ফলে রপ্তানীকে বাধাগ্রস্থ করা এবং পুরো অর্থনীতিকে ধ্বংস করে মানুষকে বিপদে ফেলার সেই পথ তিনি করে যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে মানুষ ভালো থাকলে উনার ভালো লাগে না।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকলে উনার (খালেদা জিয়ার) অসুখ হয়। মানুষ যদি একটু শান্তিতে থাকলে উনার মনে অশান্তি হয়। যাই হোক উনি যা করছেন দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হোক আর আমরা যা করে যাচ্ছি আমাদের রপ্তানী যেন অব্যাহত থাকে। আমাদের গার্মেন্টস শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে যথেষ্ট চেস্ট করেছেন। তবে দেশবাসীর সহযোগিতা আমরা পেয়েছি, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সকলই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সচেস্ট রয়েছে।
তিনি বলেন, এতে কারা জড়িত এতে সকল দলই জড়িত, ক্ষতিগ্রস্থ হলে সব দলের লোকই হবে এবং উনি এমন একটি ভয়ংকর রুদ্র মূর্তি নিয়ে আজকে আবির্ভূত হয়েছেন। যে কার ক্ষতি হচ্ছে তা তিনি দেখছেন না। এগুলো করে আজকে তিনি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে কিন্তু আমরা দক্ষতার সাথে সকল বিষয় মোকাবেলা করছি। আশা করি আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছুতে পারবো। সেজন্য আমরা দেশবাসীর সহযোগিতায় পাচ্ছি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ বলেছেন, সীমা লঘ্ননকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাই আজকে মানুষকে পুড়িয়ে মারছেন। শিশু থেকে শুরু করে আন্তঃসত্তা মহিলাকাউকেই ছাড়ছেন না। কারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা ও মানুষ খুন করা, দেশের ক্ষতি করা এটাই যেন জঙ্গি নেত্রী খালেদা জিয়ার কাজ। আলালতকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। আদালতের নির্দেশও তিনি মানবেন না। তিনি কোর্টে যাবেন না।
তিনি বলেন, এই ধরণের অবস্থায় আজকে বাংলাদেশের নিজস্ব আদালতের মর্যাদা লঘ্নন করছেন। এই অবস্থায় ভবিষতে আদালতও মানবেন না। আমি আশ্বস্থ করতে চাই, এই জঙ্গি কর্মকান্ড যখন থেকে শুরু করেছেন আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বগত দুই মাস ধরে দিনরাত অকালন্ত পরিশ্রম করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না বিএনপি নেত্রী কোটে কেন গেলেন না। উনার নাকি নিরাপত্তার অভাব। সেটা আমি শুনেছি, উনার আইনজীবিদের মাধ্যমে। উনাকে নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রত্যেকটা দিন যিনি মানুষ খুন করছে, হত্যা করছে, পেট্রোল বোমা মারাচ্ছে তারই নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে আমাকে। কি দুঃভাগ্য, চিন্তা করে দেখেন। তারপরও যাতে আইনের শাসন চলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি গেলেন না। এখন বাস্তবতা হচ্ছে আইনে যা আছে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, আমার যেটা মনে হচ্ছে যে জঙ্গি তৎপরতার জন্য আজকে মানুষের কাছে তিনি (খালেদা জিয়া) ঘৃণ্য, মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন একটা পরিস্থিতিতে গেছে যে, তিনি নিজেকে নিজেই অফিসে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। যখন নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ চাইলো পুলিশ দেয়া হলো। তখন বললো পুলিশ দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ সরিয়ে দেয়া হলো, কেন সরানো হলো- নিরাপত্তার অভাব। তাহলে আমরা যাব কোথায়?
তিনি বলেন, প্রতিটি কর্ম দিবসে হরতাল দিয়ে সমস্ত কর্মকান্ডকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আজকে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষকে খুন করা হচ্ছে। আর খুনের যে বিচার তা দেশের প্রচলিত আইনেই হবে। আর আইন আদালতকে কেউ যদি অবমাননা করেনম কোট যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই বিচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আমার একটা বিশ্বাস, উনি যেহেতু গণহত্যা চালিয়ে, জঙ্গিবাদী তৎপরতা চালিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। মানুষের ভয়ে থাকছেন, উনি বোধ হয় ভাবছেন কারাগারই উনার সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। উনি নিজেই চাচ্ছেন, উনাকে অ্যারেস্ট করা হোক আর কারাগারে প্রেরণ করা হোক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনার তো নাটকের অভ্যাস আছে। কাজেই নটাংকিপনা যাকে বলে, সেই নটাংকিপনা করার অভ্যাস আছে, একটু প্রচার-প্রচারোনায় যাতে আসতে পারেন সেই চেস্টাটা করে যাচ্ছেন। তাই উনি চান নিজেই নিজেকে গ্রেফতার করে জনগণ থেকে বাঁচা আর অপরদিকে ওই নটাংকিপনা দেখিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। নইলে নিজেই নিজের রুমের মধ্যে বসে আছেন।
তিনি বলেন, উনি (বেগম জিয়া) এখন জনবিচ্ছিন্ন, তাই তিনি একটু মিডিয়া কাভারেজ পেতে নাজিমউদ্দিন রোডকেই (কেন্দ্রীয় কারাগার) বেছে নিতে চাইছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা সত্যি যে বর্তমানে বিএনপি-জামায়াত জোট আন্দোলনের নামে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ খুন করা এবং দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার কার্যাক্রম চালাচ্ছে। তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে না। তাদের আন্দোলনের মানেই হচ্ছে মানুষ খুন করা, সাধারণ মানুষকে পুড়ানো। সবচেয়ে দুঃখ লাগে গত ছয় বছর আমরা সরকার পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তসামাজিকভাবে উন্নতি হচ্ছে, মানুষের ভেতরে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। আমরা প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে এই বছর জানুয়ারি থেকে বিএনপি এবং জামায়াত। বিশেষ করে আমাদের দেশে এখন একজন জঙ্গি নেত্রীর উত্থান হয়েছে। এই জঙ্গি নেত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। এই জঙ্গি নেত্রী আইন মানেন না, আদালত মানেন না, নিয়ম মানেন না, সংবিধান মানেন না। উনার এখন একটাই কাজ হচ্ছে, তার জঙ্গি শক্তি দেখানো ও মানুষ খুন করা। যার ফলে রপ্তানীকে বাধাগ্রস্থ করা এবং পুরো অর্থনীতিকে ধ্বংস করে মানুষকে বিপদে ফেলার সেই পথ তিনি করে যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে মানুষ ভালো থাকলে উনার ভালো লাগে না।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকলে উনার (খালেদা জিয়ার) অসুখ হয়। মানুষ যদি একটু শান্তিতে থাকলে উনার মনে অশান্তি হয়। যাই হোক উনি যা করছেন দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হোক আর আমরা যা করে যাচ্ছি আমাদের রপ্তানী যেন অব্যাহত থাকে। আমাদের গার্মেন্টস শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে যথেষ্ট চেস্ট করেছেন। তবে দেশবাসীর সহযোগিতা আমরা পেয়েছি, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সকলই এই ব্যাপারে যথেষ্ট সচেস্ট রয়েছে।
তিনি বলেন, এতে কারা জড়িত এতে সকল দলই জড়িত, ক্ষতিগ্রস্থ হলে সব দলের লোকই হবে এবং উনি এমন একটি ভয়ংকর রুদ্র মূর্তি নিয়ে আজকে আবির্ভূত হয়েছেন। যে কার ক্ষতি হচ্ছে তা তিনি দেখছেন না। এগুলো করে আজকে তিনি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে কিন্তু আমরা দক্ষতার সাথে সকল বিষয় মোকাবেলা করছি। আশা করি আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছুতে পারবো। সেজন্য আমরা দেশবাসীর সহযোগিতায় পাচ্ছি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ বলেছেন, সীমা লঘ্ননকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাই আজকে মানুষকে পুড়িয়ে মারছেন। শিশু থেকে শুরু করে আন্তঃসত্তা মহিলাকাউকেই ছাড়ছেন না। কারণ মানুষ পুড়িয়ে মারা ও মানুষ খুন করা, দেশের ক্ষতি করা এটাই যেন জঙ্গি নেত্রী খালেদা জিয়ার কাজ। আলালতকে তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। আদালতের নির্দেশও তিনি মানবেন না। তিনি কোর্টে যাবেন না।
তিনি বলেন, এই ধরণের অবস্থায় আজকে বাংলাদেশের নিজস্ব আদালতের মর্যাদা লঘ্নন করছেন। এই অবস্থায় ভবিষতে আদালতও মানবেন না। আমি আশ্বস্থ করতে চাই, এই জঙ্গি কর্মকান্ড যখন থেকে শুরু করেছেন আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বগত দুই মাস ধরে দিনরাত অকালন্ত পরিশ্রম করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জানি না বিএনপি নেত্রী কোটে কেন গেলেন না। উনার নাকি নিরাপত্তার অভাব। সেটা আমি শুনেছি, উনার আইনজীবিদের মাধ্যমে। উনাকে নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রত্যেকটা দিন যিনি মানুষ খুন করছে, হত্যা করছে, পেট্রোল বোমা মারাচ্ছে তারই নাকি নিরাপত্তা দিতে হবে আমাকে। কি দুঃভাগ্য, চিন্তা করে দেখেন। তারপরও যাতে আইনের শাসন চলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি গেলেন না। এখন বাস্তবতা হচ্ছে আইনে যা আছে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, আমার যেটা মনে হচ্ছে যে জঙ্গি তৎপরতার জন্য আজকে মানুষের কাছে তিনি (খালেদা জিয়া) ঘৃণ্য, মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন একটা পরিস্থিতিতে গেছে যে, তিনি নিজেকে নিজেই অফিসে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। যখন নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ চাইলো পুলিশ দেয়া হলো। তখন বললো পুলিশ দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ সরিয়ে দেয়া হলো, কেন সরানো হলো- নিরাপত্তার অভাব। তাহলে আমরা যাব কোথায়?
তিনি বলেন, প্রতিটি কর্ম দিবসে হরতাল দিয়ে সমস্ত কর্মকান্ডকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আজকে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষকে খুন করা হচ্ছে। আর খুনের যে বিচার তা দেশের প্রচলিত আইনেই হবে। আর আইন আদালতকে কেউ যদি অবমাননা করেনম কোট যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবেই বিচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আমার একটা বিশ্বাস, উনি যেহেতু গণহত্যা চালিয়ে, জঙ্গিবাদী তৎপরতা চালিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। মানুষের ভয়ে থাকছেন, উনি বোধ হয় ভাবছেন কারাগারই উনার সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। উনি নিজেই চাচ্ছেন, উনাকে অ্যারেস্ট করা হোক আর কারাগারে প্রেরণ করা হোক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনার তো নাটকের অভ্যাস আছে। কাজেই নটাংকিপনা যাকে বলে, সেই নটাংকিপনা করার অভ্যাস আছে, একটু প্রচার-প্রচারোনায় যাতে আসতে পারেন সেই চেস্টাটা করে যাচ্ছেন। তাই উনি চান নিজেই নিজেকে গ্রেফতার করে জনগণ থেকে বাঁচা আর অপরদিকে ওই নটাংকিপনা দেখিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। নইলে নিজেই নিজের রুমের মধ্যে বসে আছেন।

Add new comment