২০০৩ সালে বাজারে আসে নকিয়া ১১০০। ।নোকিয়ার তৈরি জনপ্রিয় ফিচার ফোন নোকিয়া ১১০০ নিয়ে নতুন করে হইচই শুরু হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্বে এখন নোকিয়ার এই মডেলটি নিয়ে খবর রটার কারণ হচ্ছে,নোকিয়া
১১০০ মডেলে আসছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ললিপপ!
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, জনপ্রিয় ১১০০ মডেল নাম দিয়ে একটি স্মার্টফোন বাজারে আনছে নকিয়া, যাতে কোয়াড কোর প্রসেসর থাকবে আর থাকবে ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম। এনডিটিভির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফোনটি বেঞ্চমার্ক তালিকায় দেখা গেছে। নোকিয়া পাওয়ার ইউজার নামের একটি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিকবেঞ্চ ব্রাউজার বেঞ্চমার্কের ফলাফলে এই মডেলটির তথ্য পেয়েছে। এই ফোনটিতে মিডিয়াটেকের প্রসেসর ও ৫১২ র্যাম যুক্ত রয়েছে।
যদি নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফিচার ফোনটির কথা বলা হয়, তবে তাতে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ যুক্ত করার কথা বিশ্বাস করা কঠিন। আগামী বছর নাগাদ এই ফোনটি বাজারে আনতে পারে ফিনল্যান্ডের নোকিয়া ব্র্যান্ড। বর্তমানে নোকিয়ার মোবাইল ফোন বিভাগটি মাইক্রোসফটের অধীনে। ফিনল্যান্ডের নকিয়ার কাছ থেকে গত বছরে মোবাইল ফোন বিভাগ অধিগ্রহণ করে মাইক্রোসফট। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের আগ পর্যন্ত কোনো স্মার্টফোন ব্র্যান্ড বাজারে আনতে পারবে না ফিনল্যান্ডের নোকিয়া। নোকিয়ার দাবি, এটাই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোন। বিশ্বে ২৫ কোটির বেশি মানুষের হাতে এই ফোনটি পৌঁছে যায়।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, জনপ্রিয় ১১০০ মডেল নাম দিয়ে একটি স্মার্টফোন বাজারে আনছে নকিয়া, যাতে কোয়াড কোর প্রসেসর থাকবে আর থাকবে ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম। এনডিটিভির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফোনটি বেঞ্চমার্ক তালিকায় দেখা গেছে। নোকিয়া পাওয়ার ইউজার নামের একটি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিকবেঞ্চ ব্রাউজার বেঞ্চমার্কের ফলাফলে এই মডেলটির তথ্য পেয়েছে। এই ফোনটিতে মিডিয়াটেকের প্রসেসর ও ৫১২ র্যাম যুক্ত রয়েছে।
যদি নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফিচার ফোনটির কথা বলা হয়, তবে তাতে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ যুক্ত করার কথা বিশ্বাস করা কঠিন। আগামী বছর নাগাদ এই ফোনটি বাজারে আনতে পারে ফিনল্যান্ডের নোকিয়া ব্র্যান্ড। বর্তমানে নোকিয়ার মোবাইল ফোন বিভাগটি মাইক্রোসফটের অধীনে। ফিনল্যান্ডের নকিয়ার কাছ থেকে গত বছরে মোবাইল ফোন বিভাগ অধিগ্রহণ করে মাইক্রোসফট। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৬ সালের আগ পর্যন্ত কোনো স্মার্টফোন ব্র্যান্ড বাজারে আনতে পারবে না ফিনল্যান্ডের নোকিয়া। নোকিয়ার দাবি, এটাই বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোন। বিশ্বে ২৫ কোটির বেশি মানুষের হাতে এই ফোনটি পৌঁছে যায়।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন