গত মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন -'এই বিশেষ আদালতে আমি যা করেছি, তার সবই অবৈধ। তাহলে আজ এই আদালতে
সবই অবৈধ শুনানি হয়েছে।’ এমনটাই মন্তব্য করেছেন রাজধানীর তৃতীয় বিশেষ জজ
আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদার।
বুধবার দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে ৪টি পিটিশন দায়ের ও এর পক্ষে দীর্ঘ শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী। এজলাশে বসার পর বিচারক আসামিরা কোথায় তা জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘এই মামলার আসামিরা আসেননি। তারা সকলেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত। হাইকোর্ট থেকেও এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। ফৌজদারী কার্যবিধিতে আসামির অনুপস্থিতিতে মামলা চা
লানোর কোনো এখতিয়ার নেই। আমরা সাক্ষী নিয়ে এসেছি। তাই পরবর্তী সাক্ষ্য চালানোর অনুমতি চাইছি।’
এ সময় বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আসামির অনুপস্থিতিতে মামলা পরিচালনার কী বিধান আছে তাই বলুন?’
তখন আসামিপক্ষের আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আমরা একটি প্রেয়ার (আবেদন) করেছি। আগামীকাল হাইকোর্টে এর শুনানি হবে বলে দিন ঠিক করা হয়েছে।’
‘কিন্তু এই আবেদনের কোনো জুরিসডিকশন (আইনি বিধান) আছে কি না’ বিচারকের এমন প্রশ্নে মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘আগে আমাকে বলার সুযোগ দিন, তারপর আপনি যা খুশি সিদ্ধান্ত নিন।’
মোহাম্মাদ আলীর এমন মন্তব্যে দুদকের আইনজীবীরা আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে বিতর্কে জাড়িয়ে যান। পরে বিচারক তাদেরকে শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন।
বুধবার দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে ৪টি পিটিশন দায়ের ও এর পক্ষে দীর্ঘ শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী। এজলাশে বসার পর বিচারক আসামিরা কোথায় তা জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘এই মামলার আসামিরা আসেননি। তারা সকলেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত। হাইকোর্ট থেকেও এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। ফৌজদারী কার্যবিধিতে আসামির অনুপস্থিতিতে মামলা চা
লানোর কোনো এখতিয়ার নেই। আমরা সাক্ষী নিয়ে এসেছি। তাই পরবর্তী সাক্ষ্য চালানোর অনুমতি চাইছি।’
এ সময় বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আসামির অনুপস্থিতিতে মামলা পরিচালনার কী বিধান আছে তাই বলুন?’
তখন আসামিপক্ষের আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আমরা একটি প্রেয়ার (আবেদন) করেছি। আগামীকাল হাইকোর্টে এর শুনানি হবে বলে দিন ঠিক করা হয়েছে।’
‘কিন্তু এই আবেদনের কোনো জুরিসডিকশন (আইনি বিধান) আছে কি না’ বিচারকের এমন প্রশ্নে মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘আগে আমাকে বলার সুযোগ দিন, তারপর আপনি যা খুশি সিদ্ধান্ত নিন।’
মোহাম্মাদ আলীর এমন মন্তব্যে দুদকের আইনজীবীরা আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে বিতর্কে জাড়িয়ে যান। পরে বিচারক তাদেরকে শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন