ঢাকা: নিজেকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের
বিষোদগারের পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বৈঠক ডাকতে তৎপরতা শুরু করেছেন
আইিসিসির ভারতীয় চেয়ারম্যান নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন।
দিন সাতেকের মধ্যে এই বৈঠক হতে পারে বলে ভারতীয় বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সেখানে আইসিসিতে ভারতীয় বোর্ডের মনোনীত প্রতিনিধি শ্রীনিবাসন আগামী জুনে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফরসহ বিভিন্ন বিষয় তুলতে পারেন।
তবে বোর্ড প্রেসিডেন্ট জাগমোহন ডালমিয়া অবশ্য বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামালের মন্তব্য কিংবা বোর্ডের বৈঠক বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।
বোর্ডসচিব অনুরাগ ঠাকুর আসন্ন বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে বলেছেন, ‘সফরটা নিয়ে আগে আমাকে কথা বলতে হবে বোর্ডের বৈঠকে। তারপর বলতে পারব।’
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি পদ থেকে গতকাল বুধবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরে তিনি বিমানবন্দরেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই ঘোষণা দেন। সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে আইসিসির চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসনকে এক রকম ধুয়ে দেন তিনি।
মুস্তফা কামাল শ্রীনিবাসনকে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ উল্লেখ করে বলেন, এখন থেকে ক্রিকেট প্রশাসনে তার এক নম্বর শত্রুর নাম শ্রীনিবাসন।
আইসিসির গঠনতন্ত্রকে অস্বীকার করে গত ২৯ মার্চ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আইসিসি প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে মাইকেল ক্লার্কের হাতে কাপ তুলে দিয়েছিলেন শ্রীনি। বুধবার ইস্তফা দেওয়ার পর শ্রীনিকে আক্রমণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্ক এর ফলে সঙ্কটে পড়ে গেল না তো? ভারত এবার আদোও বাংলাদেশে টেস্ট সফরে যাবে তো?
জুনে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা। কামাল-শ্রীনি সংঘাতের পর ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, সাম্প্রতিক এই ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
বোর্ডের একটা অংশ মনে করছে, আইসিসিতে যেহেতু ভারতীয় বোর্ডের মনোনীত প্রতিনিধি শ্রীনি নিজে এবং তিনিই আইসিসির সর্বক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান, তাই জুনে ভারতের বাংলাদেশ সফর বাতিল করিয়ে এই অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা অবশ্যই তিনি করবেন।
কামাল-শ্রীনির সংঘাতের পর বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মনে হয় সম্পর্কটা বেশ সংকটে পড়ে গেল।’
জুনে ভারতের প্রস্তাবিত এই সফর যদি বাতিল হয়, তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের দেশের সরকারের সাহায্য নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেছেন, ‘লড়াইটা শ্রীনির বিরুদ্ধে। ভারতীয় বোর্ডের বিরুদ্ধে নয়। তাহলে ভারতের বাংলাদেশ সফর বাতিল হবে কেন? তাও যদি হয়, তাহলে আমাদের বোর্ড পদক্ষেপ করবে। সরকারও সঙ্গে থাকবে।’
কামাল বলেন, ‘লিখে রাখতে পারেন, শ্রীনি ক্ষমতাধর হতে পারে। আমিও কিন্তু শক্তিশালী। এর শেষ দেখেই ছাড়বে বাংলাদেশের মানুষ।
দিন সাতেকের মধ্যে এই বৈঠক হতে পারে বলে ভারতীয় বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সেখানে আইসিসিতে ভারতীয় বোর্ডের মনোনীত প্রতিনিধি শ্রীনিবাসন আগামী জুনে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফরসহ বিভিন্ন বিষয় তুলতে পারেন।
তবে বোর্ড প্রেসিডেন্ট জাগমোহন ডালমিয়া অবশ্য বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামালের মন্তব্য কিংবা বোর্ডের বৈঠক বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।
বোর্ডসচিব অনুরাগ ঠাকুর আসন্ন বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে বলেছেন, ‘সফরটা নিয়ে আগে আমাকে কথা বলতে হবে বোর্ডের বৈঠকে। তারপর বলতে পারব।’
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি পদ থেকে গতকাল বুধবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন আ হ ম মুস্তফা কামাল।
অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরে তিনি বিমানবন্দরেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে এই ঘোষণা দেন। সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে আইসিসির চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসনকে এক রকম ধুয়ে দেন তিনি।
মুস্তফা কামাল শ্রীনিবাসনকে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ উল্লেখ করে বলেন, এখন থেকে ক্রিকেট প্রশাসনে তার এক নম্বর শত্রুর নাম শ্রীনিবাসন।
আইসিসির গঠনতন্ত্রকে অস্বীকার করে গত ২৯ মার্চ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আইসিসি প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে মাইকেল ক্লার্কের হাতে কাপ তুলে দিয়েছিলেন শ্রীনি। বুধবার ইস্তফা দেওয়ার পর শ্রীনিকে আক্রমণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্ক এর ফলে সঙ্কটে পড়ে গেল না তো? ভারত এবার আদোও বাংলাদেশে টেস্ট সফরে যাবে তো?
জুনে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা। কামাল-শ্রীনি সংঘাতের পর ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, সাম্প্রতিক এই ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
বোর্ডের একটা অংশ মনে করছে, আইসিসিতে যেহেতু ভারতীয় বোর্ডের মনোনীত প্রতিনিধি শ্রীনি নিজে এবং তিনিই আইসিসির সর্বক্ষমতাসম্পন্ন চেয়ারম্যান, তাই জুনে ভারতের বাংলাদেশ সফর বাতিল করিয়ে এই অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা অবশ্যই তিনি করবেন।
কামাল-শ্রীনির সংঘাতের পর বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মনে হয় সম্পর্কটা বেশ সংকটে পড়ে গেল।’
জুনে ভারতের প্রস্তাবিত এই সফর যদি বাতিল হয়, তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের দেশের সরকারের সাহায্য নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেছেন, ‘লড়াইটা শ্রীনির বিরুদ্ধে। ভারতীয় বোর্ডের বিরুদ্ধে নয়। তাহলে ভারতের বাংলাদেশ সফর বাতিল হবে কেন? তাও যদি হয়, তাহলে আমাদের বোর্ড পদক্ষেপ করবে। সরকারও সঙ্গে থাকবে।’
কামাল বলেন, ‘লিখে রাখতে পারেন, শ্রীনি ক্ষমতাধর হতে পারে। আমিও কিন্তু শক্তিশালী। এর শেষ দেখেই ছাড়বে বাংলাদেশের মানুষ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন