মেলবোর্ন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হতাশাজনক হারের পর পুরো দিনই হোটেলে বন্দি
সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা।এর মাঝে দুপুরে হোটেলের কাছে একটি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার।
তবে নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার মুখে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজাসহ কয়েকজন ক্রিকেটার ভক্তদের তোপের মুখে পড়েন। তারা মাশরাফিকে নিয়ে আপত্তিকর কথাবার্তা বললে একসময় তা হাতাহাতিতে পর্যন্ত গড়ায়। পরে মিডিয়া ম্যানেজার এবং স্থানীয় কয়েকজনের হস্তক্ষেপে তারা সেখান থেকে হোটেলে ফিরে যান।
তবে এ ঘটনার জড়িতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
আজ নিউজিল্যান্ডে উদ্দেশে রওনা করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ৫ ফেব্রুয়ারি নেলসনে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন মাশরাফিরা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯২ রানে হেরে যাওয়া ম্যাচটি দেখতে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি মেলবোর্নে হাজির হয়েছিলেন। এ ম্যাচটি দেখার জন্য প্রবাসীদের অনেকেই মাস ছয়েক আগে থেকে কর্মস্থল থেকে ছুটি নেয়াসহ নানা ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়েছে।
কিন্তু এত কষ্ট করে মাঠে গিয়ে বাংলাদেশ দলের এমন পারফরম্যান্স দেখে তারা যারপরনাই হতাশ। ক্যাচ মিস ও বাজে ফিল্ডিং দেখে তারা যারপরনাই বিরক্ত। তামিম, মুমিনুলের ব্যাটিং দেখেও তারা ভীষণ হতাশ।
তাই হয়তো শুক্রবার দুপুরে মাশরাফিকে হাতের কাছে পেয়ে জ্বলে ওঠেন কয়েকজন। অবশ্য শুধু ভক্তরা কেন, সাবেক ক্রিকেটাররাও বেশ হতাশ বৃহস্পতিবারের পারফরম্যান্সে। সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম আইসিসির ওয়েবসাইটে লেখা কলামে তো বাংলাদেশ দলকে রীতিমতো ধুইয়ে দিয়েছেন।
তার মতে, এখনও বোলিং কম্বিনেশই নাকি ঠিক করতে পারেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। আর ফিল্ডিংয়ের কথা তো বলাই বাহুল্য।
তিনি বলেন, 'মাশরাফির অসাধারণ বোলিং ভেস্তে গেছে বাজে ফিল্ডিংয়ের জন্য। তিনটি সহজ ক্যাচ পড়েছে এবং একটি স্টাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। সাঙ্গাকারার দুটি ক্যাচ পড়েছে ২৩ ও ৬০ রানের সময়। শেষ পর্যন্ত সে সেঞ্চুরি করেছে। প্রথম ওভারে শূন্য রানে থিরিমান্নের ক্যাচ পড়েছে। দেড়শ'র বেশি রান করা দিলশান স্টাম্পিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। এতগুলো সুযোগ কোনো পাড়া-মহল্লার দলও নষ্ট করবে না।'
আমিনুল ইসলামের মতে, অস্ট্রেলিয়ার পিচে পাঁচজন স্পেশালিস্ট বোলার নিয়ে নামা উচিত বাংলাদেশের। গত দুটি ম্যাচে চারজন স্পেশালিস্ট বোলার নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। পঞ্চম বোলার হিসেবে মাহমুদুল্লাহ ও সৌম্য সরকার কাজ চালাচ্ছেন।
আমিনুল ইসলামের মতে, উপমহাদেশে পার্টটাইমারদের দিয়ে কাজ চালানো গেলেও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে সেটা সম্ভব নয়।j1

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন