১৯৯২
সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিলো অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। কিন্তু
দু’দলের কেউই উঠতে পারেনি ফাইনালে। এবারও বিশ্বকাপের আয়োজক তারা। তবে কি
এবারও ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড? এমন প্রশ্নের
উত্তর তোলা থাক ভবিষ্যতের জন্য।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।
টপিক:
ঘটনার স্থান:
প্রতিষ্ঠান:
১৯৯২
সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিলো অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। কিন্তু
দু’দলের কেউই উঠতে পারেনি ফাইনালে। এবারও বিশ্বকাপের আয়োজক তারা। তবে কি
এবারও ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড? এমন প্রশ্নের
উত্তর তোলা থাক ভবিষ্যতের জন্য।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।
টপিক:
ঘটনার স্থান:
প্রতিষ্ঠান:
Add new comment
১৯৯২
সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিলো অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। কিন্তু
দু’দলের কেউই উঠতে পারেনি ফাইনালে। এবারও বিশ্বকাপের আয়োজক তারা। তবে কি
এবারও ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড? এমন প্রশ্নের
উত্তর তোলা থাক ভবিষ্যতের জন্য।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।
তবে সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে এবারের বিশ্বকাপে ফাইনালের দৌড়ে অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক বেশিই এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তাই এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলবে এই দু’দল এমন কথা বলতেও পিছপা হননি অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞই। এমনই একজন সাবেক খেলোয়াড় ও বিশেষজ্ঞ নিউজিল্যান্ডের স্যার রিচার্ড হ্যাডলিরই কথাই বলা হোক, ‘এই দু’দলের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেক বেশি। বর্তমান পারফরমেন্স ও চেনা কন্ডিশনের কারণেই এরা কাগজে-কলমে এগিয়ে।’
পয়েন্ট টেবিলে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ শুরুর ছয় দিনে ৩ খেলায় অংশ নিয়ে পুরো ৬ পয়েন্টই সংগ্রহ করেছে কিউইরা। তাই জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে চাইছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা বলে জানালেন দলের কোচ মাইক হেসন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা নিয়েই ভাবছি আমরা। এই ম্যাচকে অনেকেই অনেক কিছু বলছে। তবে এটি মোটেও আমাদের চিন্তার কারণ নয়। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা খেলতে চাই। যা আগের তিন ম্যাচে করেছি। বড় দু’দলের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ছেলেরা। আশা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরমেন্স করবে।’
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটবার মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত শেষ সাত বিশ্বকাপেই দেখা হয় তাদের। আর এই লড়াইয়ে জয়টা বেশিই পেয়েছে অজিরাই। ছয়বার কিউইদের হারিয়েছে তারা। আর দুটি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।
তবে এই পরিসংখ্যান থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ করতে পারে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দল। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি জয়ের একটি অকল্যান্ডের মাঠে বসেই পেয়েছে নিউজিল্যান্ডের পূর্বসূরীরা ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে। আর এবার এই অকল্যান্ডেই মাইকেল ক্লার্কদের মুখোমুখি হচ্ছে ম্যাককালামের দল।


Add new comment