রাজ্যের সীমান্ত এলাকার নারীদের নিরাপত্তা দিতে সফল হয়েছে একটি মোবাইল অ্যাপ। অন্তত এমনটাই দাবি উদৌক্তাদের। নারীপাচার ও বাল্যবিবাহ আটকাতে গত বছর একটি বহুজাতিক সংস্থা ও একটি বিখ্যাত স্বেচ্ছাসেবি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ‘জি-পাওয়ার' নামের একটি মোবাইল অ্যাপস চালু করা হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন গ্রামে কন্যা সন্তানদের শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালানোর পরই অ্যাপটি চালু করা হয়।
উদ্যোক্তাদের দাবি, তাদের তৈরি এই অ্যাপ অত্যন্ত সফল। নতুন এই অ্যাপের সাহায্যে এখন পর্যন্ত ২০টি গ্রামের ২০০ জন কিশোরীকে নারী পাচারকারী ও বাল্যবিবাহের হাত থেকে বাঁচানো গিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহ-সভাপতি ইন্দ্রানী ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ২০১৩ সালের শেষের দিকে করা এই সমীক্ষায় দেখা যায় ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীরা বেশিরভাগই হয় নারী পাচারকারীদের হাতে বন্দি, নয় তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে গিয়েছে। সিংহভাগ কিশোরীর পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর পরিবারের লোকেরাই টাকার বিনিময়ে তাদের নারী পাচারকারীদের হাতে বেচে দিয়েছে। এই ঘটনা জানার পরই এমন কিছু চালু করার কথা ভাবা হয় যার মাধ্যমে নারী পাচার, বলপূর্বক বিয়ে রোখা যাবে।
সমীক্ষার পর ২০১৪ সালের মার্চে ‘জি-পাওয়ার' নামের ওই মোবাইল অ্যাপ চালু হয়। আগামী ৩ বছরে ১০০ টি গ্রামের ৭০০০ কিশোরীকে এই পরিষেবার আওতায় আনা যাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
উদ্যোক্তাদের দাবি, তাদের তৈরি এই অ্যাপ অত্যন্ত সফল। নতুন এই অ্যাপের সাহায্যে এখন পর্যন্ত ২০টি গ্রামের ২০০ জন কিশোরীকে নারী পাচারকারী ও বাল্যবিবাহের হাত থেকে বাঁচানো গিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহ-সভাপতি ইন্দ্রানী ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ২০১৩ সালের শেষের দিকে করা এই সমীক্ষায় দেখা যায় ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোরীরা বেশিরভাগই হয় নারী পাচারকারীদের হাতে বন্দি, নয় তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে গিয়েছে। সিংহভাগ কিশোরীর পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর পরিবারের লোকেরাই টাকার বিনিময়ে তাদের নারী পাচারকারীদের হাতে বেচে দিয়েছে। এই ঘটনা জানার পরই এমন কিছু চালু করার কথা ভাবা হয় যার মাধ্যমে নারী পাচার, বলপূর্বক বিয়ে রোখা যাবে।
সমীক্ষার পর ২০১৪ সালের মার্চে ‘জি-পাওয়ার' নামের ওই মোবাইল অ্যাপ চালু হয়। আগামী ৩ বছরে ১০০ টি গ্রামের ৭০০০ কিশোরীকে এই পরিষেবার আওতায় আনা যাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন