ডেস্কঃ ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি এবং জঙ্গিবাদে পৃষ্টপোষকতার অভিযোগ এনে বাংলাদেশে পিস টিভি বন্ধের দাবি জানিয়েছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আত।
একই সঙ্গে যেসব টিভিতে ইসলামী অনুষ্ঠানের নামে জঙ্গিবাদ প্রচার করছে সেইসব উপস্থাপকদের অনুষ্ঠান বন্ধ করে সকরারি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর লালদীঘি মাঠে মহাসমাবেশে এ দাবি জানান আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের প্রধান সমন্বয়ক মাওলানা এম এ মতিন।
আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী খুনীদের গ্রেফতার ও বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এ সমাবেশের ডাক দেয় আহলে সুন্নাত।
আল্লামা ফারুকীর খুনীদের গ্রেফতার না করলে তীব্র আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা কর হবে জানিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়ে চার দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় সমাবেশ থেকে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর খেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের র্শীষস্থানীয় পীর মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম, সুন্নি সংস্থা ও সংগঠনের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময়।
১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ও ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ওলামা মাশায়েখ, পেশাজীবি ও বুদ্ধিজীবিদের প্রতিনিধি সম্মেলন।
এই সময়ের মধ্যে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার এবং মামলার অগ্রগতি না হলে প্রতিনিধি সম্মেলন থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান এম এ মতিন।
এছাড়া যেসব টিভিতে ইসলামের নামে উগ্রবাদী বক্তব্য দিয়ে জঙ্গিবাদে মমদ দেওয়া হয় ওইসব অনুষ্ঠান বর্জনের আহ্বান জানানো হয়।
সরকার চাইলে ৫ মিনিটের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে উল্লেখ করে সভাপতির বক্তব্যে মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী বলেন, মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীর হত্যার ঘটনা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে, অথবা অন্য দিকে প্রবাহিত করতে চাইছে। এক মাঘে শীত যায় না।
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ফারুকী হত্যাকাণ্ডকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করবেন না। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের সহযোগিতা করুন।
দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১০ কোটি সুন্নি মুসলমান যেদিকে আঙুল তুলবে সেদিকে ধ্বংস হয়ে যাবে।
মাওলানা আবুল কাসেম নুরী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে সরকারের হাত থাকতে পারে। জঙ্গীবাদী হেফজতীদের সঙ্গে সরকারের বোঝাপড়া হয়েছে। লোক দেখানো যুদ্ধাপরাধের বিচারও এখন বন্ধ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের পেছনে রহস্য আছে।
মাওলানা স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, সাতদিন পার হলেও ফারুকী হত্যাকাণ্ডের কোন কুল কিনারা করতে পারেনি প্রশাসন।
অন্যান্য অনেক হত্যাকাণ্ডের মতো ফারুকী হত্যার বিচারও না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আশঙ্কা করছি আমরা। এ হত্যাকাণ্ডে সরকারের রাঘব বোয়ালরা জড়িত থাকার আশঙ্কাও করছি।
পিস টিভি থেকে ফারুকীকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফারুকী একাধিক সভা-সমাবেশে বলেছেন তাকে পিস টিভি থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
জঙ্গিবাদ প্রচারে নিয়োজিত টিভির আলোচকরা আদর্শের কাছে পরাজিত হয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো হীন কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফারুকী হত্যার ঘটনায় ডাকাতির মামলা দিয়ে শেরে বাংলানগর থানার ওসি তার সন্তানের কাছ স্বাক্ষর নিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এ ধরণের ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না।
মাওলানা ফারুকীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি চট্টগ্রামের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা মাঠে গত ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোচনা সভায় বক্তব্যে বলেছিলেন তিনি।
সমাবেশে ফারুকীর সেই বক্তব্যের রেকর্ড শোনানো হয়। এসময় সমাবেশে আসা হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও মঞ্চে উপস্থিত নেতারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক কর্মী।
মুফতি ওবাইদুল হক নঈমীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ ইসলামি ফাউন্ডেশনের গভর্নর আল্লামা জালাল উদ্দিন আল কাদেরি, মাওলানা এম এ মান্নান, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সৈয়দ সাইফুদ্দিন আল হাসানী আল মাইজভান্ডারী, সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা, আল্লামা আবদুর শুক্কুর নক্সবন্দি,অধ্যক্ষ আল্লামা নুরুল মনোয়ার,মাওলানা কাজী আবদুল ওয়াজেদ,ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান, মাওলানা শফিউল আলম নেজামী,আল্লামা মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান আল কাদেরী, সায়খুল হাদিস মাওলানা কাজী মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন আশরাফী,মাওলানা আবুল কাশেম নুরী, মাওলানা স উ ম আবদুস সামাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
একই সঙ্গে যেসব টিভিতে ইসলামী অনুষ্ঠানের নামে জঙ্গিবাদ প্রচার করছে সেইসব উপস্থাপকদের অনুষ্ঠান বন্ধ করে সকরারি নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর লালদীঘি মাঠে মহাসমাবেশে এ দাবি জানান আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের প্রধান সমন্বয়ক মাওলানা এম এ মতিন।
আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী খুনীদের গ্রেফতার ও বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এ সমাবেশের ডাক দেয় আহলে সুন্নাত।
আল্লামা ফারুকীর খুনীদের গ্রেফতার না করলে তীব্র আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা কর হবে জানিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়ে চার দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় সমাবেশ থেকে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর খেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের র্শীষস্থানীয় পীর মাশায়েখ, ওলামায়ে কেরাম, সুন্নি সংস্থা ও সংগঠনের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময়।
১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ও ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ওলামা মাশায়েখ, পেশাজীবি ও বুদ্ধিজীবিদের প্রতিনিধি সম্মেলন।
এই সময়ের মধ্যে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার এবং মামলার অগ্রগতি না হলে প্রতিনিধি সম্মেলন থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান এম এ মতিন।
এছাড়া যেসব টিভিতে ইসলামের নামে উগ্রবাদী বক্তব্য দিয়ে জঙ্গিবাদে মমদ দেওয়া হয় ওইসব অনুষ্ঠান বর্জনের আহ্বান জানানো হয়।
সরকার চাইলে ৫ মিনিটের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে উল্লেখ করে সভাপতির বক্তব্যে মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী বলেন, মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীর হত্যার ঘটনা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে, অথবা অন্য দিকে প্রবাহিত করতে চাইছে। এক মাঘে শীত যায় না।
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ফারুকী হত্যাকাণ্ডকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করবেন না। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের সহযোগিতা করুন।
দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১০ কোটি সুন্নি মুসলমান যেদিকে আঙুল তুলবে সেদিকে ধ্বংস হয়ে যাবে।
মাওলানা আবুল কাসেম নুরী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে সরকারের হাত থাকতে পারে। জঙ্গীবাদী হেফজতীদের সঙ্গে সরকারের বোঝাপড়া হয়েছে। লোক দেখানো যুদ্ধাপরাধের বিচারও এখন বন্ধ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের পেছনে রহস্য আছে।
মাওলানা স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, সাতদিন পার হলেও ফারুকী হত্যাকাণ্ডের কোন কুল কিনারা করতে পারেনি প্রশাসন।
অন্যান্য অনেক হত্যাকাণ্ডের মতো ফারুকী হত্যার বিচারও না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ফারুকী হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আশঙ্কা করছি আমরা। এ হত্যাকাণ্ডে সরকারের রাঘব বোয়ালরা জড়িত থাকার আশঙ্কাও করছি।
পিস টিভি থেকে ফারুকীকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফারুকী একাধিক সভা-সমাবেশে বলেছেন তাকে পিস টিভি থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
জঙ্গিবাদ প্রচারে নিয়োজিত টিভির আলোচকরা আদর্শের কাছে পরাজিত হয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো হীন কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফারুকী হত্যার ঘটনায় ডাকাতির মামলা দিয়ে শেরে বাংলানগর থানার ওসি তার সন্তানের কাছ স্বাক্ষর নিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এ ধরণের ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না।
মাওলানা ফারুকীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি চট্টগ্রামের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা মাঠে গত ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোচনা সভায় বক্তব্যে বলেছিলেন তিনি।
সমাবেশে ফারুকীর সেই বক্তব্যের রেকর্ড শোনানো হয়। এসময় সমাবেশে আসা হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও মঞ্চে উপস্থিত নেতারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক কর্মী।
মুফতি ওবাইদুল হক নঈমীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ ইসলামি ফাউন্ডেশনের গভর্নর আল্লামা জালাল উদ্দিন আল কাদেরি, মাওলানা এম এ মান্নান, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সৈয়দ সাইফুদ্দিন আল হাসানী আল মাইজভান্ডারী, সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা, আল্লামা আবদুর শুক্কুর নক্সবন্দি,অধ্যক্ষ আল্লামা নুরুল মনোয়ার,মাওলানা কাজী আবদুল ওয়াজেদ,ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমান, মাওলানা শফিউল আলম নেজামী,আল্লামা মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান আল কাদেরী, সায়খুল হাদিস মাওলানা কাজী মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন আশরাফী,মাওলানা আবুল কাশেম নুরী, মাওলানা স উ ম আবদুস সামাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন