কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পুলিশের সাথে আসামি পক্ষের সংঘর্ষে ৭ পুলিশসহ ১২ জন আহত হয়েছে। এ সময় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার রাত ৮ টায় দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ভেলানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক
(এসআই) তপন কুমার বাকচী, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন, কনস্টেবল বিপুল চন্দ্র রায়, তানভীর হাসান, নাজমুল হক, আসলাম পারভেজ ও শাহাদাত হোসেন। তাঁদের মধ্যে বিপুল চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্য আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, ঢাকা-চট্রগাম মহাসড়কের দাউদকান্দির রায়পুরে গাড়িতে পেট্রল বোমা হামলায় মামলার আসামী উপজেলার ভেলানগর গ্রামের মৃত আলেক মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মোল্লাকে (৪০) গ্রেফতার করার পর তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায় আসামী পক্ষ। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে। আসামী পক্ষও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাতে একদল সাদা পোষাকধারী লোক এসে জসিম উদ্দিন মোল্লাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময়, তাদের পরিচয় জানতে চায় আসামীর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন মোল্লা। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর পরপরই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আসামীর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন মোল্লাসহ (৬০) ৫ জন আহত হয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান।
(এসআই) তপন কুমার বাকচী, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন, কনস্টেবল বিপুল চন্দ্র রায়, তানভীর হাসান, নাজমুল হক, আসলাম পারভেজ ও শাহাদাত হোসেন। তাঁদের মধ্যে বিপুল চন্দ্র রায়কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্য আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, ঢাকা-চট্রগাম মহাসড়কের দাউদকান্দির রায়পুরে গাড়িতে পেট্রল বোমা হামলায় মামলার আসামী উপজেলার ভেলানগর গ্রামের মৃত আলেক মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মোল্লাকে (৪০) গ্রেফতার করার পর তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায় আসামী পক্ষ। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে। আসামী পক্ষও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাতে একদল সাদা পোষাকধারী লোক এসে জসিম উদ্দিন মোল্লাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময়, তাদের পরিচয় জানতে চায় আসামীর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন মোল্লা। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর পরপরই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আসামীর বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন মোল্লাসহ (৬০) ৫ জন আহত হয়েছে বলে গ্রামবাসী জানান।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন