সর্বশেষ

শ্রীনগরে পুলিশের উপর গুলি, রাইফেল ছিনতাই

শ্রীনগরে টহল পুলিশের উপর গুলি করে রাইফেল ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। দুপুর সাড়ে বারটার দিকে উপজেলার বাঘরা ইউনিয়নের রৌদ্রপাড়া এলাকায় টহলরত অবস্থায় দুর্বৃত্তদের হামলায় শ্রীনগর থানার কনষ্টেবল আলামিন গুলিবিদ্ধ হয়। এসময় দুর্বৃত্তরা পুলিশের  রাইফেল ছিনতাই করেছে বলে নিশ্চিত করেছে বাঘরা পুলিশ ক্যাম্প। পুলিশ কনষ্টেবল আলামিনকে গুরুত্বর অহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পরই মুন্সীগঞ্জ পুলিশ লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ তলব করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ঐ এলাকায় পুলিশের অভিযান চলছে।
Mobile Version
| ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১১ ফাল্গুন ১৪২১
- See more at: http://www.thereport24.com/article/89903/index.html#sthash.E4NtPA08.dpuf
গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে খাওয়া ও ঘুমের সমস্যা নিয়েই ৫০ দিন পার করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত ৩ জানুয়ারি রাত থেকে ৮৬ নম্বর রোডের ওই কার্যালয়ে রয়েছেন তিনি।
এ সময়ের মধ্যে কখনো কড়া পুলিশি বেষ্টনীতে অবরুদ্ধ, কখনো নিজেই অবরুদ্ধ হয়ে দিন কাটিয়েছেন তিনি। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতেও ওই কার্যালয় ছাড়েননি তিনি।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে গুলশানের ওই কার্যালয়ে গত ৩ জানুয়ারি থেকে অবস্থান করা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা বলেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) সুস্থ আছেন। তিনি সকালে ঘুম থেকে ওঠে নাস্তা করেন, জুস খান ও নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন। তিনি সব সময়ই অল্প আহার করেন।’
তিনি জানান, খালেদা জিয়া চলমান আন্দোলন সম্পর্কে পত্রিকা পড়ে অবহিত হন। তা ছাড়া মাঝেমধ্যে তাদের কাছেও জানতে চান।
চলমান আন্দোলন পরিচালনা কীভাবে হচ্ছে— এমন প্রশ্নে শিরিন সুলতানা বলেন, ‘সারা দেশের আন্দোলন ম্যাডাম নিজেই মনিটরিং করছেন। দলের সিনিয়র নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া আছে, তারা তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।’
গুলশানের ওই কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মাহবুব আলম ডিউ, নিরাপত্তা সমন্বয়কারী কর্নেল (অব.) আব্দুল মজিদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান অবস্থান করছেন। এ ছাড়াও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় নিয়োজিত সিএসএফ সদস্য ও অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।
শিরিন সুলতানা আরও বলেন, ‘বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, ম্যাডামের নিরাপত্তা সমন্বয়কারী কর্নেল (অব.) এম এ মজিদসহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ডাক্তার ডেকে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অফিসে আসলে থাকার তেমন ব্যবস্থা নেই। এখানে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুমের সমস্যা হচ্ছে। খুব ছোট পরিসরে থাকতে হচ্ছে। জেলখানাতেও এর থেকে বড় পরিসর থাকে। ওখানে একটু হাঁটাচলা করা যায়। অফিসে সেটা করা যাচ্ছে না।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলার পর এরই মধ্যে ৫১ দিন পার হচ্ছে।’
খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের অপর এক সদস্য শায়রুল কবির খান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন কার্যালয়ে অবস্থান করায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কারণ তাদের খাওয়া, ঘুম, গোসলের সমস্যা হচ্ছে।’
তিনি জানান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের ব্লাড প্রেসার বেড়েছে। চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ব্যাকপেইনে ভুগছেন। নিরাপত্তা সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) এম এ মজিদ ও ম্যাডামের নিরাপত্তা সিকিউরিটির সদস্য মেজর (অব.) আনোয়ার জ্বরে আক্রান্ত।
গত ৩ জানুয়ারি (শনিবার) রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশানের নিজ কার্যালয়ে আসেন খালেদা জিয়া। সেখানে দলের কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলেন তিনি। পরে দলের যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর অসুস্থ হওয়ার খবর জানতে পেরে তাকে দেখার জন্য নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে চাইলে খালেদা জিয়ার পথ আটকায় পুলিশ। পরে কিছুক্ষণ গাড়িতে অপেক্ষা করে কার্যালয়ের দোতলায় ফিরে যান তিনি।
এরপর সেখানেই তিনি রাত কাটান। এর পরদিনই কার্যালয়ের প্রধান ফটকে ঝুলানো হয় তালা। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। গুলশানের ৮৬ নম্বর সড়কে বিএনপি নেত্রীর কার্যালয় ঘিরে পুলিশি নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। সড়কের দুই মাথায় বসানো হয় দু’টি তল্লাশী চৌকি। ওই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কার্যালয়ের পাশেই বড় আকারের দু’টি গাড়ি আড়াআড়িভাবে রেখে বেরুনোর পথও আটকে দেওয়া হয়। প্রস্তুত রাখা হয় র‌্যাব, পুলিশের সাঁজোয়া যান। কার্যালয়ের বাইরের রাস্তায় মোট ১৩টি বালু ও ইটের ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়।
অফিসে অবস্থানকালে ৫ জানুয়ারি বিএনপি জোট ঘোষিত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে গুলশান কার্যালয় থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন খালেদা জিয়া। মহিলা দলের নেতাকর্মীরা গেট খুলে দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দিলে দুই দফা পেপার স্প্রে নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে খালেদা জিয়া প্রায় ৪৫ মিনিট পর গাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবং অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেন। পেপার স্প্রের প্রভাবে ওই রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
৮ জানুয়ারি খালেদার কার্যালয়ে পুলিশের দেওয়া তালা খুলে দেওয়া হয়। ওই রাতে ভারতের বিজেপি পার্টি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহর সঙ্গে খালেদা জিয়ার ফোনালাপের খবর গণমাধ্যমকে জানান চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল। ওই রাতেই পুলিশ কার্যালয়ে ফের তালা লাগিয়ে দেয়। আটক হন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী।
৯ জানুয়ারি ফের খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়া হয়।
১১ জানুয়ারি কার্যালয়ে বসেই বিশ্ব ইজতেমার আখেরী মোনাজাতে অংশ নেন খালেদা জিয়া। রাতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। ওই রাতে গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান সাবিহ উদ্দিন আহমেদ। ৮৬ নম্বর সড়কে রাখা তার গাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
১২ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার জন্য খাবার নিয়ে কার্যালয়ে যান মহিলা দল। রাতে দেখা করেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম। ওইদিন আটক হন দলের যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান। পরদিন রাতে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান গুলিবিদ্ধ হন। ওই রাতেই ১৫ জানুয়ারি থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল আহ্বান করা হয়। খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন তার উপদেষ্টা মেজর (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী। খালেদার জিয়ার মেজোবোন সেলিনা ইসলাম। পরদিনই হরতাল ১২ ঘণ্টা কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
১৫ জানুয়ারি রাতে ডাক্তারদের একটি প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। ওই রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের বাসায় কূটনীতিকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া সেদিন গুলশান কার্যালয়ে পুলিশের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
১৭ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। পরদিন গভীর রাতে অফিসের সামনের রাস্তায় পুলিশের দু’টি পিকআপ ও একটি জলকামান সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর থেকে খালেদা জিয়া নিজস্ব নিরাপত্তা সিকিউরিটি নিয়ে অফিসে অবস্থান করছেন।
১৯ জানুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৭৯তম জন্মবাষির্কীতেও কার্যালয়েই ছিলেন খালেদা জিয়া। জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিতে গেলে বিএনপির প্রতিনিধি দলকে পুলিশ বাধা দেয়।
২৪ জানুয়ারি খালেদার জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যান। শোক জানাতে গুলশান কার্যালয়ের বাইরে কয়েক মিনিট অপেক্ষার পরও খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে ওইদিন সকালে ৩৬ ঘণ্টার হরতাল আহ্বান করে ২০ দল।
২৫, ২৬, ২৭, ২৮ জানুয়ারি কোকোর মৃত্যুতে শোক জানাতে আসেন সমাজের বিশিষ্টজন, ব্যবসায়ী নেতারাসহ কূটনীতিকরা। ২৯ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলের সিনিয়র নেতারা।
৩০ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয় ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৭২ ঘণ্টার হরতাল। ওইদিন রাত ২টা ৪২ মিনিটে তার অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
৩১ জানুয়ারি ভোর থেকে অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। একে একে বিচ্ছিন্ন করা হয় ডিশ লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিফোন সংযোগ। তার পর কয়েকটি মোবাইল কোম্পানির নেটওয়ার্কও বন্ধ করা হয় তার অফিস ও সংলগ্ন এলাকায়। ওই রাত ৮টা ১০ মিনিট থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত মোমবাতির আলোতে নিজ অফিসে প্রথম বারের মতো বাইরের অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন খালেদা জিয়া। নিজ অফিসে এক বিরল অভিজ্ঞতার সময় পার করেন তিনি। ৯০ মিনিট মোমবাতির আলোতে অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করেন তিনি। প্রায় ২০ ঘণ্টা পর শনিবার রাতেই বিদ্যুতের সংযোগ পুনরায় স্থাপন করা হয়।
গত ১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পথে তার উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুকে আটক করা হয়। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অবরোধের পাশাপাশি হরতাল দেওয়ায় তা স্থগিত করা হয়। পরে প্রতি শুক্র ও শনিবারে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার সময় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের দাবিতে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের সড়কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।
৩ ফেব্রুয়ারি খালেদার জিয়ার কার্যালয় ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ। ওইদিন মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের কর্মী পরিচয়ে মফিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি একটি পিস্তল হাতে কার্যালয়ের সামনে যান। অস্বাভাবিক আচরণকারী ওই ব্যক্তি খালেদা জিয়াকে খুন করার হুমকি দেন। এ বিষয়ে গুলশান কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, উনি একজন পাগল। কোনো সুস্থ মানুষ এভাবে এখানে আসবে নাকি। অনেক কষ্ট করে তাকে সরানো হয়।
৪ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ বরাবর গুলশান কার্যালয়ে ডিশ লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিফোন সংযোগ পুনঃস্থাপনের আবেদন করে বিএনপি। ৮ ফেব্রুয়ারি গুলশান কার্যালয়ের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়। পরদিন জাতীয় সংলাপ নিয়ে খালেদা জিয়াকে নাগরিক সমাজ চিঠি দেয়।
১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যদের সামনে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ঢিল ছোড়েন পরান সরকার নামে এক যুবক। পরে ওই যুবককে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। তিনি সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের বাসিন্দা বলে জানা যায়।
১১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার অফিস স্টাফদের খাবার ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। ওই বিকালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট গিবসন বৈঠক করেন। ওইদিন ৩৯ দিন পর কার্যালয়ের প্রধান ফটক খোলা হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি শুকনা খাবার খেয়ে দিন পার করছেন গুলশান কার্যালয়ে স্টাফরা। ১৩ ফেব্রুয়ারি গুলশান কার্যালয়ের অফিস স্টাফদের খাবার ফের নিয়ে যায় পুলিশ। রবিবার পর্যন্ত বাহির থেকে রান্না করা করা খাবার কার্যালয়ে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
১৪ ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবসে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান মেজোবোন সেলিনা ইসলাম। ১৭ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেদিনই কার্যালয়ে আসেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি কার্যালয়েই অবস্থান করছেন। ২০ জানুয়ারি কার্যালয়ের স্টাফদের রক্ত পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তার ডাকা হয়।
২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে যাননি খালেদা জিয়া। নিজ কার্যালয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন খালেদা জিয়া।
এ ছাড়া খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে এই ৫০ দিন অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই অবরোধ, হরতাল ও সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে শ্রমিক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগসহ আওয়ামী লীগ সমর্থক নানা সংগঠন খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছে। হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে রবিবার সকাল ১১টায় প্রকৌশলী, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, শিল্পীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ মানববন্ধন কার্মসূচি পালন করে।
- See more at: http://www.thereport24.com/article/89903/index.html#sthash.E4NtPA08.dpuf

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

prottoy news24 | Distributed By pnbd24.com | Designed By pnbd24.com

rusm থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.