শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনাকে “বর্বর ও
নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড” বলে বর্ণনা করে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মের কারণে কারো
হামলার শিকার হওয়া উচিত নয়।”
তিনি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রে থাকা কারোরই তারা
কারা, তারা দেখতে কেমন বা তারা কীভাবে প্রার্থনা করে, এসব কারণে হামলার শিকার হওয়া
উচিত না।”
বিবৃতিতে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা
জানিয়েছেন।
কথিত হত্যাকারী ৪৬ বছর বয়সী আইনের ছাত্র ক্রেইগ স্টিফেন হিকস
নিহতরা মুসলিম হওয়ার কারণে ঘৃণাবশত এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে
ফেডারেল কর্তৃপক্ষকে বলার জন্য প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন
নিহতদের পরিবার।
হিকসের বাড়ি থেকে এক ডজনেরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল
পরিমাণ গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন নর্থ ক্যারোলাইনা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল শিক্ষার্থী দেয়া শাদ্দি বারাকাত (২৩), তার স্ত্রী উসোর
মোহাম্দদ আবু-সালহা (২১) এবং তার বোনো নর্থ ক্যারোলাইনা রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী রাজান মোহাম্মদ আবু-সালহা (১৯) ।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন
কিলোমিটার দূরে একটি অ্যাপার্টমেন্টে এই তিনজনের লাশ পাওয়া যায়।
মামলার
বিবরণ অনুযায়ী, নিহতদের এক বন্ধু পুলিশের গাড়ি থামিয়ে তাদের ওই অ্যাপার্টমেন্টে
নিয়ে যান। সেখানে মাথা থেকে রক্তপাত হতে থাকা বারাকাতকে দরজার সামনে মৃত অবস্থায়
পাওয়া যায়।
নিহত দুই বোনের একজনকে রান্নাঘরে ও অপরজনকে রান্নাঘরের দরজায় মৃত
অবস্থায় পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার চ্যাপেল
হিলে সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ‘হেট ক্রাইম’সহ ফেডারেল আইনের কোনো ধারা ভাঙা
হয়েছে কীনা তা নিশ্চিত করতে এবিআই’র প্রাথমিক তদন্তের সঙ্গে বিচারবিভাগীয়
তদন্তকারীরাও যুক্ত থাকবেন।
এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিশ্চিুপ থাকার কারণে
বৃহস্পতিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান প্রেসিডেন্ট ওবামা ও
যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের সমালোচনা করেছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন