সর্বশেষ

বাংলাদেশে ফ্লাইট বন্ধ করল পাকিস্তান এয়ারলাইনস

বাংলাদেশে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হয়রানির অভিযোগে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) কান্ট্রি ম্যানেজার আলী আব্বাস পরিবারসহ বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছেন।

সেই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমানসংস্থা পিআইএ’র ঢাকা-করাচি ফ্লাইট।
পাকিস্তানী গণমাধ্যমগুলো এ খবর দিয়েছে।
পিআইএ’র এক মুখপাত্র জানান, গতকাল করাচি থেকে ঢাকাগামী (পিকে-২৬৬) ফ্লাইটটি বাতিল করে দিয়ে বাংলাদেশে সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে। তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কান্ট্রি ম্যানেজারের বাসভবনে অভিযান চালানোয়। গত বুধবার করাচি থেকে পিআইএ’র ফ্লাইটটি ঢাকা পৌঁছানোর পর আড়াই ঘণ্টা ধরে ফ্লাইটে তল্লাশি চালানো হয়। কর্তৃপক্ষের এই মনোভাবের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান এয়ারলাইনস তাদের পিকে-২৬৬ ফ্লাইটটি বাতিল করে দেয়।

ঢাকায় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। আলী আব্বাসের বিরুদ্ধে মুদ্রা ও সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করছে বাংলাদেশ সরকারের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাসনিম আসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, তারা জানতে পেরেছেন যে, ঢাকায় পিআইএ-এর কান্ট্রি ম্যানেজারের বাসভবনে অভিযান চালানো হয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ হাই কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের মুখপাত্র আরো বলেন, কেন এই অভিযান চালানো হয়েছে তার কোন কারণ বাংলাদেশ এখনও তাদের কাছে ব্যাখ্যা করেনি।

বৃহস্পতিবার পিআইএ’র পক্ষ থেকে পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমগুলোকে বাংলাদেশে ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়টি জানানো হয়। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের হয়রানির ঘটনায় পিআইএ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।


পাকিস্তানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পিআইএ’র অভিযোগ, দুই মাস ধরে বাংলাদেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা পিআইএ কর্মকর্তাদের হয়রানি করছেন। সর্বশেষ চার দিন আগে পিআইএর কান্ট্রি ম্যানেজার আলী আব্বাসের ঢাকার বাসায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালায়।

এ সময় তারা আলী আব্বাস ও তার পরিবারের সদ্যদের হয়রানি করে। এ ছাড়া গত বুধবারের পিকে-২৬৬ নম্বর ফ্লাইট তিন ঘণ্টার জন্য দেরি হয়েছে নিরাপত্তা যাচাইয়ের কারণে। ওই সময় ফ্লাইটের ক্রু ও যাত্রীদের হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ করে পিআইএ। পরে আলী আব্বাসকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়।

তবে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, জাল মুদ্রা ও সোনাপাচার সন্দেহে বেশ কয়েকবার পিআইএ কর্মকর্তাদের বাসায় তল্লাশি চালানো হয়।

এদিকে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশনস) এস এম নাজমুল আনাম বলেন, এ বিষয়ে পিআইএ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি j1

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

prottoy news24 | Distributed By pnbd24.com | Designed By pnbd24.com

rusm থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.