স্প্যানিশ লিগে নিজের ৩০০তম ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। আর সেটিতেই কিনা অসাধারণ এক হ্যাট্টিক! এমন মাইলফলকটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এর চেয়ে দারুণ উদযাপন আর কীভাবেই বা করতেন মেসি! গোল পেয়েছেন বার্সার আক্রমনত্রয়ী ‘এমএসএন’-এর বাকি দুই অংশীদার নেইমার ও সুয়ারেজও। সব মিলিয়ে লেভান্তের বিপক্ষে বার্সার জয়টা ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
ম্যাচের শুরুতেই লুইস এনরিকের ফাটকা। কোপা ডেল রে'তে ভিলারিয়ালের বিপক্ষে খেলা একাদশের আটজনই নেই দলে! তবে ছিলেন মেসি-নেইমার। ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম গোলটা নেইমারের। গোলটা বানিয়ে দিয়েছিলেন অবশ্য মেসিই। মেসির দারুণ এক ক্রসে গোলের ঠিকানা পান নেইমার। কিন্তু এমন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি কেবল এক গোল করিয়েই সন্তুষ্ট থাকবেন কেন! সেটি ভেবেই কিনা এরপরেই লেভান্তের সঙ্গে মেসির ‘একক শো’। ম্যাচের ৩৮, ৫৯ এবং ৬৫ মিনিটে টানা তিনটি গোল! প্রথম গোলটি এসেছে ‘সুযোগসন্ধানী’ মেসির পা থেকে, দ্বিতীয়টি গোলটিতে দেখা মিলেছে ‘ফিনিশার’ মেসির। পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোলটি করেছেন ‘ঠান্ডা মাথার’ মেসি। দারুণ এই হ্যাট্টিকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে গোলের ব্যবধান কমিয়ে এনেছেন মেসি। ২৮ গোল নিয়ে গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রোনালদো, ২৬ গোল নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে মেসি।
মেসি হ্যাট্টিক করলেন, গোল পেলেন নেইমারও। বদলি নেমে সুয়ারেজ তাই ভাবলেন, তিনিই বা গোলের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন কেন! ৭৩ মিনিটে বাইসাইকেল কিকে অসাধারণ যে গোলটি করলেন সুয়ারেজ, নিঃসন্দেহে তা ফুটবল-সমর্থকদের চোখে লেগে থাকবে অনেকদিন। মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের প্রাপ্তির দিনে ফুটবলবিধাতা বঞ্চিত রাখেননি পেদ্রোকেও। এদিন পেদ্রোও নেমেছিলেন নিজের ৩০০তম ম্যাচে, মেসির দ্বিতীয় গোলে অবদান রেখে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন তিনিও!
এই নিয়ে লুইস এনরিকের দল টানা ১১ ম্যাচে জয় পেল। মেসি যেভাবে উড়ছেন, আর তাঁকে যেভাবে সঙ্গ দিচ্ছেন নেইমার ও সুয়ারেজ- বার্সার জয়রথ থামানো বোধহয় মুশকিলই হবে প্রতিপক্ষের জন্য! গোলডটকম।
Mt
ম্যাচের শুরুতেই লুইস এনরিকের ফাটকা। কোপা ডেল রে'তে ভিলারিয়ালের বিপক্ষে খেলা একাদশের আটজনই নেই দলে! তবে ছিলেন মেসি-নেইমার। ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম গোলটা নেইমারের। গোলটা বানিয়ে দিয়েছিলেন অবশ্য মেসিই। মেসির দারুণ এক ক্রসে গোলের ঠিকানা পান নেইমার। কিন্তু এমন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি কেবল এক গোল করিয়েই সন্তুষ্ট থাকবেন কেন! সেটি ভেবেই কিনা এরপরেই লেভান্তের সঙ্গে মেসির ‘একক শো’। ম্যাচের ৩৮, ৫৯ এবং ৬৫ মিনিটে টানা তিনটি গোল! প্রথম গোলটি এসেছে ‘সুযোগসন্ধানী’ মেসির পা থেকে, দ্বিতীয়টি গোলটিতে দেখা মিলেছে ‘ফিনিশার’ মেসির। পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোলটি করেছেন ‘ঠান্ডা মাথার’ মেসি। দারুণ এই হ্যাট্টিকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে গোলের ব্যবধান কমিয়ে এনেছেন মেসি। ২৮ গোল নিয়ে গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রোনালদো, ২৬ গোল নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে মেসি।
মেসি হ্যাট্টিক করলেন, গোল পেলেন নেইমারও। বদলি নেমে সুয়ারেজ তাই ভাবলেন, তিনিই বা গোলের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন কেন! ৭৩ মিনিটে বাইসাইকেল কিকে অসাধারণ যে গোলটি করলেন সুয়ারেজ, নিঃসন্দেহে তা ফুটবল-সমর্থকদের চোখে লেগে থাকবে অনেকদিন। মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের প্রাপ্তির দিনে ফুটবলবিধাতা বঞ্চিত রাখেননি পেদ্রোকেও। এদিন পেদ্রোও নেমেছিলেন নিজের ৩০০তম ম্যাচে, মেসির দ্বিতীয় গোলে অবদান রেখে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন তিনিও!
এই নিয়ে লুইস এনরিকের দল টানা ১১ ম্যাচে জয় পেল। মেসি যেভাবে উড়ছেন, আর তাঁকে যেভাবে সঙ্গ দিচ্ছেন নেইমার ও সুয়ারেজ- বার্সার জয়রথ থামানো বোধহয় মুশকিলই হবে প্রতিপক্ষের জন্য! গোলডটকম।
Mt


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন