ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের কৌশলের পাল্টা জবাব দেবে বিএনপি। প্রকাশ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচন নিয়ে ভাবনা নেই জানালেও ঢাকার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছে বিনাযুদ্ধে ছেড়ে দেবে না দলটি। তাই ডিসিসির নির্বাচন নিয়ে বিএনপিতে নানামুখী ভাবনা রয়েছে। সময়মতো তা প্রয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
অবিভক্ত ডিসিসির শেষ নির্বাচিত মেয়র ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা। ২০০৭ সালে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর নির্বাচন হয়নি। এরপর ২০১১ সালে ডিসিসিকে দুই ভাগ করা হয়। এরপর কয়েকদফা দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েও সীমানা জটিলতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। এর আগে যতবারই ডিসিসি নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ততবারই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এবার আন্দোলনের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচনের ঘোষণা বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্যই করা হয়েছে বলে দলটি মনে করে। তাদের বক্তব্য আন্দোলন থেকে জনগণের চোখ ফেরাতেই ডিসিসি নির্বাচনের আয়োজন করছে সরকার। তাছাড়া বাইরের বিশ্বকে দেখানো যে এই সরকার গণতন্ত্রের পথেই আছে।
এ বিষয়ে নেতারা জানান, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এখন জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য ক্ষমসীনরা ডিসিসি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ভাববে না এমন চিন্তা করা হলেও এখন এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ কৌশলী ভূমিকা গ্রহণের কথা ভাবা হচ্ছে।
নেতাদের মতে, আন্দোলনে ঢাকার রাজপথের নিয়ন্ত্রণ নেয়া সম্ভব হয়নি বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দাবি আদায় করা সম্ভব হয়নি। বিএনপিকে ঢাকার নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে এতদিন ডিসিসি নির্বাচন দেয়নি ক্ষমতাসীনরা। এবার বিএনপিকে ফাঁদে ফেলে নির্বাচন করতে চাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি ঢাকার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতে ছাড়বে না। নির্বাচনে সরাসরি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগ যাতে জিততে না পারে সেভাবেই কর্মপন্থা ঠিক করবে।
বিএনপির এক সিনিয়র নেতা দাবি করেন, ডিসিসির নির্বাচন শেষ পর্যন্ত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, কারণ এই নির্বাচনের আগেই সরকার আন্দোলনের মুখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। এরপরেও বর্তমান সময়ের মতো ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতা ধরে রেখেই যদি নির্বাচন হয়। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে কৌশল ঠিক করছে বিএনপি।
বিএনপির কৌশলের ধরন প্রসঙ্গে বিএনপির এক নেতা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে অরাজনৈতিক এক ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করায় বিএনপি কৌশলে সফলতা পাওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে। প্রার্থী করার জন্য বিএনপিরও অরাজনৈতিক ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীর অভাব হবে না। এছাড়া মেয়র নির্বাচনের চেয়ে রাজধানীর মাঠের আধিপত্য ধরে রাখতে কাউন্সিলর নির্বাচনের প্রতিও সমান গুরুত্ব থাকবে। মামলার কারণে বেশির ভাগ ওয়ার্ডে বিএনপির সক্রিয় নেতা কাউন্সিল নির্বাচন করতে পারবেন না। কিন্তু তাদের আস্থাভাজন ব্যবসায়ী এবং আত্মীয় যারা এলাকায় পরিচিত এবং প্রভাবশালী তাদের বিষয় বিবেচনায় আনা হবে। সব মিলে বিএনপিকে আন্দোলনের মাঠে রেখে ঢাকা নিয়ন্ত্রণের যে স্বপ্ন ক্ষমতাসীনরা দেখছে তা পূরণ হবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসিসি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়ার পর এনিয়ে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়। চলমান আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে সরকার এই নির্বাচনকে কৌশল হিসেবে নিয়েছে_ এমন বিবেচনায় দলের নেতারা প্রথমে প্রচার মাধ্যমে জানিয়ে দেন ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে ভাবছে না বিএনপি। মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীরা অবশ্য এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। তারা এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চান সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে। নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকার রাজনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে উল্লেখ করে শুরুতেই সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত না জানানোরও দাবি জানান তারা। বলেন, ডিসিসি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার বিষয়টি আগে থেকে জানিয়ে দিলে নেতাকর্মীরা জানবেন শহরের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ সহজে তাদের কাছে আসছে না। সে ক্ষেত্রে সরকার হটানোর সফলতা পেতে আরো বেগ পেতে হবে। এছাড়া নির্বাচনে বিএনপি থাকবে না এমন ঘোষণা দিয়ে রাখলে এবার ক্ষমতাসীনরা নির্বাচন করে ফেলবে। আর বিএনপি যদি আগে থেকে তেমন কোনো ঘোষণা না দেয়; সে ক্ষেত্রে পরাজয় এড়াতে এবং ঢাকার নিয়ন্ত্রণ বিএনপিকে না দিতে সরকার হয়তো বিগত সময়ের মতো নির্বাচন দেয়া থেকে বিরতও থাকতে পারে। ঢাকার নেতাদের এমন পরামর্শের পর এখনই ডিসিসি নির্বাচনের বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে আগ বাড়িয়ে সিনিয়র নেতাদের কথা না বলতে কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপিকে আন্দোলন থেকে সরানোর জন্য সরকার কৌশলে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কথা বলছে। এ নির্বাচনে অংশ নেয়া বা না নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর সময় এখনো আসেনি। যখন আসবে, তখন দেখা যাবে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সীমানা নির্ধারণের গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ ভোটের অনুরোধ জানায় নির্বাচন কমিশনকে। আগামী এপ্রিল-মে মাসের দিকে এই নির্বাচন করার পরিকল্পনা করছে ইসি। এদিকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। উত্তরের মেয়র পদে লড়বেন ব্যবসায়ী আনিসুল হক এবং দক্ষিণে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন।
অবিভক্ত ডিসিসির শেষ নির্বাচিত মেয়র ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা। ২০০৭ সালে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর নির্বাচন হয়নি। এরপর ২০১১ সালে ডিসিসিকে দুই ভাগ করা হয়। এরপর কয়েকদফা দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েও সীমানা জটিলতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। এর আগে যতবারই ডিসিসি নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ততবারই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এবার আন্দোলনের মধ্যে ডিসিসি নির্বাচনের ঘোষণা বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্যই করা হয়েছে বলে দলটি মনে করে। তাদের বক্তব্য আন্দোলন থেকে জনগণের চোখ ফেরাতেই ডিসিসি নির্বাচনের আয়োজন করছে সরকার। তাছাড়া বাইরের বিশ্বকে দেখানো যে এই সরকার গণতন্ত্রের পথেই আছে।
এ বিষয়ে নেতারা জানান, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এখন জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছে। আর এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য ক্ষমসীনরা ডিসিসি নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ভাববে না এমন চিন্তা করা হলেও এখন এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ কৌশলী ভূমিকা গ্রহণের কথা ভাবা হচ্ছে।
নেতাদের মতে, আন্দোলনে ঢাকার রাজপথের নিয়ন্ত্রণ নেয়া সম্ভব হয়নি বলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দাবি আদায় করা সম্ভব হয়নি। বিএনপিকে ঢাকার নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে এতদিন ডিসিসি নির্বাচন দেয়নি ক্ষমতাসীনরা। এবার বিএনপিকে ফাঁদে ফেলে নির্বাচন করতে চাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি ঢাকার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতে ছাড়বে না। নির্বাচনে সরাসরি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগ যাতে জিততে না পারে সেভাবেই কর্মপন্থা ঠিক করবে।
বিএনপির এক সিনিয়র নেতা দাবি করেন, ডিসিসির নির্বাচন শেষ পর্যন্ত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, কারণ এই নির্বাচনের আগেই সরকার আন্দোলনের মুখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। এরপরেও বর্তমান সময়ের মতো ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতা ধরে রেখেই যদি নির্বাচন হয়। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে কৌশল ঠিক করছে বিএনপি।
বিএনপির কৌশলের ধরন প্রসঙ্গে বিএনপির এক নেতা জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে অরাজনৈতিক এক ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী করায় বিএনপি কৌশলে সফলতা পাওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করবে। প্রার্থী করার জন্য বিএনপিরও অরাজনৈতিক ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীর অভাব হবে না। এছাড়া মেয়র নির্বাচনের চেয়ে রাজধানীর মাঠের আধিপত্য ধরে রাখতে কাউন্সিলর নির্বাচনের প্রতিও সমান গুরুত্ব থাকবে। মামলার কারণে বেশির ভাগ ওয়ার্ডে বিএনপির সক্রিয় নেতা কাউন্সিল নির্বাচন করতে পারবেন না। কিন্তু তাদের আস্থাভাজন ব্যবসায়ী এবং আত্মীয় যারা এলাকায় পরিচিত এবং প্রভাবশালী তাদের বিষয় বিবেচনায় আনা হবে। সব মিলে বিএনপিকে আন্দোলনের মাঠে রেখে ঢাকা নিয়ন্ত্রণের যে স্বপ্ন ক্ষমতাসীনরা দেখছে তা পূরণ হবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসিসি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়ার পর এনিয়ে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়। চলমান আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে সরকার এই নির্বাচনকে কৌশল হিসেবে নিয়েছে_ এমন বিবেচনায় দলের নেতারা প্রথমে প্রচার মাধ্যমে জানিয়ে দেন ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে ভাবছে না বিএনপি। মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীরা অবশ্য এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। তারা এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চান সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে। নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকার রাজনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে উল্লেখ করে শুরুতেই সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত না জানানোরও দাবি জানান তারা। বলেন, ডিসিসি নির্বাচনে অংশ না নেয়ার বিষয়টি আগে থেকে জানিয়ে দিলে নেতাকর্মীরা জানবেন শহরের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ সহজে তাদের কাছে আসছে না। সে ক্ষেত্রে সরকার হটানোর সফলতা পেতে আরো বেগ পেতে হবে। এছাড়া নির্বাচনে বিএনপি থাকবে না এমন ঘোষণা দিয়ে রাখলে এবার ক্ষমতাসীনরা নির্বাচন করে ফেলবে। আর বিএনপি যদি আগে থেকে তেমন কোনো ঘোষণা না দেয়; সে ক্ষেত্রে পরাজয় এড়াতে এবং ঢাকার নিয়ন্ত্রণ বিএনপিকে না দিতে সরকার হয়তো বিগত সময়ের মতো নির্বাচন দেয়া থেকে বিরতও থাকতে পারে। ঢাকার নেতাদের এমন পরামর্শের পর এখনই ডিসিসি নির্বাচনের বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে আগ বাড়িয়ে সিনিয়র নেতাদের কথা না বলতে কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপিকে আন্দোলন থেকে সরানোর জন্য সরকার কৌশলে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কথা বলছে। এ নির্বাচনে অংশ নেয়া বা না নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর সময় এখনো আসেনি। যখন আসবে, তখন দেখা যাবে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সীমানা নির্ধারণের গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ ভোটের অনুরোধ জানায় নির্বাচন কমিশনকে। আগামী এপ্রিল-মে মাসের দিকে এই নির্বাচন করার পরিকল্পনা করছে ইসি। এদিকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। উত্তরের মেয়র পদে লড়বেন ব্যবসায়ী আনিসুল হক এবং দক্ষিণে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন