সেই সাথে ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, আল্লাহ তাকে গ্রহণ করুন। ধারণা করা হচ্ছে, গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া থেকে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল হয়ে ইরাকে পাড়ি জমায় বিলার্দি। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদসংস্থা এবিসি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় তার বাসা থেকে বেশ কিছু বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করছে অস্ট্রেলীয় সরকার। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে সে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমণে যায় বলে শুনেছি।
গত বছর অক্টোবরে বিলার্দির পাসপোর্ট বাতিল করা হয় জানিয়ে বিশপ বলেন, এই ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে তা আমাদের জন্য ভয়ানক খবর। আইএস’র কারণে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন মর্মান্তিক এবং নৃশংস কিশোর হত্যার ঘটনা ঘটল। এটা শুধু ইরাক এবং সিরিয়ার জন্য হুমকি নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই হুমকি। টুইটারে আইএস’র যে অ্যাকাউন্ট থেকে বিলার্দির মৃত্যুর খবরটি ছবিসহ পোস্ট করা হয়, সেখানে আরো জানানো হয়, রামাদিতে আত্মঘাতী বোমাহামলায় ওই অস্ট্রেলীয় কিশোর ছাড়াও উজবেকিস্তান, রাশিয়া, সিরিয়া, মিশর, বেলজিয়াম এবং মরক্কো থেকে আগত বিদেশি যোদ্ধারা অংশ নিয়েছে।
অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, দেশটির অন্তত ৯০ জন নাগরিক আইএস’র হয়ে ইরাক অথবা সিরিয়া পাড়ি জমিয়েছে। এদের মধ্যে ২০ জন লড়াইয়ে নিহতও হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে অন্তত ১শ’ নাগরিকের পাসপোর্ট বাতিল করেছে অস্ট্রেলীয় সরকার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন