বাগেরহাটের মংলা উপজেলায় সেনাকল্যাণ সংস্থার এলিফ্যান্ট ব্র্যান্ড সিমেন্ট ফ্যাক্টরির নির্মাণাধীন একটি ভবনের তিনতলার ছাদ ধসে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সেখান থেকে এ পর্যন্ত চার জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অসমর্থিত সূত্র নিহতের সংখ্যা ৫ বা তারও বেশি বলে দাবি করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে নিহতদের লাশ মংলা বন্দর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, মংলা বন্দর থানার উপপরিদর্শক এসআই সুফল।শ্রমিকদের অনেকে জানিয়েছেন, ধসে পড়া কারখানা ভবনটির ভেতরে আরও অনেক শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন। ভবনটিতে দেড় শতাধিক শ্রমিক ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন।নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত দু'জনের নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এরা হচ্ছেন, রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের আমির ও রাজনগর গ্রামের মারুফ শেখ। বাকিদের নাম এখনও জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিভাগীয় উপ পরিচালক শেখ মিজানুর রহমান জানান, খুলনা ও বাগেরহাট থেকে তিনটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। তিনি জানান, ভবন ধসের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের মংলা ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন তিতাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভবন ধসে বেশকিছু লোক হতাহত হয়েছে। আমরা দ্রুত তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি যাতে হতাহতের সংখ্যা কম হয়।
৪ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে নিহতদের লাশ মংলা বন্দর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, মংলা বন্দর থানার উপপরিদর্শক এসআই সুফল।শ্রমিকদের অনেকে জানিয়েছেন, ধসে পড়া কারখানা ভবনটির ভেতরে আরও অনেক শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন। ভবনটিতে দেড় শতাধিক শ্রমিক ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন।নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত দু'জনের নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এরা হচ্ছেন, রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের আমির ও রাজনগর গ্রামের মারুফ শেখ। বাকিদের নাম এখনও জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের খুলনা বিভাগীয় উপ পরিচালক শেখ মিজানুর রহমান জানান, খুলনা ও বাগেরহাট থেকে তিনটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। তিনি জানান, ভবন ধসের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের মংলা ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন তিতাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভবন ধসে বেশকিছু লোক হতাহত হয়েছে। আমরা দ্রুত তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি যাতে হতাহতের সংখ্যা কম হয়।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন