লেখকঃ আসিফ আঁকবর
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জের প্রান্তিক নারীদের যোগাযোগ সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য
গ্রামীন ফোনের জন্ম দেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ডঃ মুহম্মদ ইউনুস।
তিনি মালিকানা ভাগাভাগি করেন নরওয়ের সরকারী প্রতিষ্ঠান টেলিনরের সঙ্গে। টেলিনর বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারনশীল বাজার দখলে নিতে ভুল করেনি। ডঃ ইউনুসের সামাজিক কনসেপ্ট পরিণত হয় রক্তচোষা একতরফা বাণিজ্যিক কনসেপ্টে। গ্রামীন ফোনের লাল সবুজের লোগোর জায়গায় স্থান করে নেয় টেলিনরের নীল লোগো । যারা বাংলাদেশের লাল সবুজকে অবজ্ঞা করে তার নাম গ্রামীনফোন হয় কি করে ? আমরা জানি এখনো আপনার গ্রামীন টেলিকমের শেয়ার আছে গ্রামীনফোনে। ডঃ ইউনুসের নাম ভাঙ্গিয়ে সমস্ত সুবিধা আদায় করেছে টেলিনর । মাঝখানে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ যুব সমাজের কিছু চাকুরী হয়েছিলো এই প্রতিষ্ঠানে । যার একটি বড় অংশ লে-অফ এবং আভ্যন্তরীণ কূটকৌশলের কারনে চাকুরী হারিয়ে হতাশায় ভূগছে । ওরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলেই পেটানো হচ্ছে। এই অত্যাচারের খবর প্রকাশিত হচ্ছেনা মিডিয়া গুলোতে । কারণ বিজ্ঞাপনের জাপানী মূলা তারা খুবই উপভোগ করছে। গ্রামীন ফোনের কাঠামো অনুযায়ী স্থায়ী কর্মকর্তা থাকা উচিত অন্ততঃ পঁচিশ হাজার, আছে আনুমানিক পাঁচ হাজার। গ্রামীন ফোন দশ ভাগ কাজ করে নিজেরা, বাকী নব্বই ভাগ বিভিন্ন চুক্তিবদ্ধ কোম্পানীর মাথায় লবন রেখে জলপাই খায়। নোবেল এর সব পুরস্কার দেয়া হয় সুইডেন থেকে, শান্তি পুরস্কার নরওয়ে থেকে। ডঃ ইউনুস স্যার আপনার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আপনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন। জাতি অশান্তিতে আছে অর্থনৈতিক ভাবে তো অবশ্যই কিন্তু মোবাইল টাওয়ার গুলো জাতিকে বিকলাঙ্গ করে দিচ্ছে, গাছ-গাছালী মরে যাচ্ছে, মোবাইল টাওয়ারের কারনে অনাগত শিশুরা হার্ট ফুটো,মানসিক প্রতিবন্ধী, কিংবা খর্বাকৃতির হয়ে জন্ম নিচ্ছে। আপনি গ্রামীন শব্দটি সরিয়ে নিয়ে নিন, টেলিনরের অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নরওয়ের কোর্টেই নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জের প্রান্তিক নারীদের যোগাযোগ সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য
গ্রামীন ফোনের জন্ম দেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ডঃ মুহম্মদ ইউনুস। তিনি মালিকানা ভাগাভাগি করেন নরওয়ের সরকারী প্রতিষ্ঠান টেলিনরের সঙ্গে। টেলিনর বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারনশীল বাজার দখলে নিতে ভুল করেনি। ডঃ ইউনুসের সামাজিক কনসেপ্ট পরিণত হয় রক্তচোষা একতরফা বাণিজ্যিক কনসেপ্টে। গ্রামীন ফোনের লাল সবুজের লোগোর জায়গায় স্থান করে নেয় টেলিনরের নীল লোগো । যারা বাংলাদেশের লাল সবুজকে অবজ্ঞা করে তার নাম গ্রামীনফোন হয় কি করে ? আমরা জানি এখনো আপনার গ্রামীন টেলিকমের শেয়ার আছে গ্রামীনফোনে। ডঃ ইউনুসের নাম ভাঙ্গিয়ে সমস্ত সুবিধা আদায় করেছে টেলিনর । মাঝখানে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ যুব সমাজের কিছু চাকুরী হয়েছিলো এই প্রতিষ্ঠানে । যার একটি বড় অংশ লে-অফ এবং আভ্যন্তরীণ কূটকৌশলের কারনে চাকুরী হারিয়ে হতাশায় ভূগছে । ওরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলেই পেটানো হচ্ছে। এই অত্যাচারের খবর প্রকাশিত হচ্ছেনা মিডিয়া গুলোতে । কারণ বিজ্ঞাপনের জাপানী মূলা তারা খুবই উপভোগ করছে। গ্রামীন ফোনের কাঠামো অনুযায়ী স্থায়ী কর্মকর্তা থাকা উচিত অন্ততঃ পঁচিশ হাজার, আছে আনুমানিক পাঁচ হাজার। গ্রামীন ফোন দশ ভাগ কাজ করে নিজেরা, বাকী নব্বই ভাগ বিভিন্ন চুক্তিবদ্ধ কোম্পানীর মাথায় লবন রেখে জলপাই খায়। নোবেল এর সব পুরস্কার দেয়া হয় সুইডেন থেকে, শান্তি পুরস্কার নরওয়ে থেকে। ডঃ ইউনুস স্যার আপনার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আপনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন। জাতি অশান্তিতে আছে অর্থনৈতিক ভাবে তো অবশ্যই কিন্তু মোবাইল টাওয়ার গুলো জাতিকে বিকলাঙ্গ করে দিচ্ছে, গাছ-গাছালী মরে যাচ্ছে, মোবাইল টাওয়ারের কারনে অনাগত শিশুরা হার্ট ফুটো,মানসিক প্রতিবন্ধী, কিংবা খর্বাকৃতির হয়ে জন্ম নিচ্ছে। আপনি গ্রামীন শব্দটি সরিয়ে নিয়ে নিন, টেলিনরের অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নরওয়ের কোর্টেই নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন