শনিবার মাদুরো বলেন, ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো ‘নিয়ন্ত্রণ’ করতে কূটনৈতিক অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাদুরো সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় অভ্যুত্থান ঘটানো ও তাকে হত্যার চক্রান্ত করছে। চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভোগায় দেশটিতে মাদুরোর জনপ্রিয়তা বেশ কমেছে।
শনিবার সমর্থকদের উদ্দেশে মাদুরো বলেন, আমি আমাদের দেশকে রক্ষার নির্দেশ দিচ্ছি। ভেনেজুয়েলায় প্রবেশে মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি বাধ্যতামূলক ভিসা পদ্ধতি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি। তবে ওই পদ্ধতিতে কী রয়েছে তা তিনি নিশ্চিত করেননি।
তবে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, নতুন ওই পদ্ধতিতে ভেনেজুয়েলা মার্কিন পর্যটকদের কাছে থেকে অতিরিক্ত অর্থ (চার্জ) নেবে। ভেনেজুয়েলায় আসার পর বিশেষ কিছু নির্দেশনাও মেনে চলতে হবে তাদের। তবে কবে থেকে নতুন ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে তা জানা যায়নি।
শুধু পর্যটক কিংবা কূটনীতিকদের জন্য নই, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদনকারী দেশ ভেনেজুয়েলায় আসা মার্কিন ব্যবসায়ীদের ওপরও এর প্রভাব পড়বে ভয়াবহ।
মাদুরো বলেন, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মার্কিন দূতাবাসে শতাধিক কূটনীতিক বাস করেন। এর বিপরীতে ওয়াশিংটনে ভেনেজুয়েলার কূটনীতিকের সংখ্যা মাত্র ১৭। ভিয়েনা কনভেশন মতে ওই কূটনীতিক সংখ্যা কমানোর জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে আহ্বান জানান তিনি।
বেশ কিছু মার্কিন কূটনীতিকে ভেনেজুয়েলায় আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলেন মাদুরো। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন