ডেস্কঃ
ভারতে বড় ধরনের কোনো সন্ত্রাসী হামলা হলে পাকিস্তানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে দেশটি। এমনকি এ সামরিক অভিযান বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলটিতে পরমাণু যুদ্ধেরও সূচনা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমেরিকার দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জর্জ পারকোভিচ এবং অ্যাশলে টেলিস। চলতি সপ্তাহের শুরুতে আমেরিকান সিনেট প্যানেলের শুনানিতে এ আশঙ্কার কথা জানান তারা। সংবাদসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, ডন
এই দুই বিশেষজ্ঞ সিনেট প্যানেলের শুনানিতে জানান, সীমান্তে বড় ধরনের হামলার জবাবে ভারত সেনা অভিযান শুরু করলে পাকিস্তানও ছেড়ে কথা বলবে না। সেক্ষেত্রে দেশটি ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু হামলাও চালাতে পারে। তারা বলছেন, সুদূর ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ায় পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানের অস্বাভাবিক প্রতিযোগিতা থেকেই এ আশঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও দ্য স্টাডিজ কার্নেজি এনডোওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সদস্য পারকোভিচ উল্লেখ করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির আরেক সদস্য টেলিস সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে আমেরিকাকে প্রভাব খাটানোর আহ্বান জানান। তবে এ প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত ভারত কিংবা পাকিস্তানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু বলা হয়নি।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ শুক্রবার বলেছেন, নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি করলে তার যোগ্য জবাব দেবে পাকিস্তান। ভারত এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করলেও এ বিষয়ে দেশটির সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানায় পাক রেঞ্জারদের হামলার দায় ভারতের ঘাড়ে চাপিয়ে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন পাক সেনাপ্রধান। উল্লেখ্য, গত মাস আগে দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক বাতিলের পর তলানিতে ঠেকে পাক-ভারত সম্পর্ক। পাকিস্তানের প্রতিনিধি কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে দেখা করা নিয়ে শুরু হয় তীব্র মতবিরোধ। এছাড়া কয়েক মাস ধরেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানায় ভারতীয় সেনাচৌকি লক্ষ্য করে হামলা চালানো শুরু করেছে পাক রেঞ্জার। আর এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আমেরিকান বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা বাস্তবে রূপ নিতেও পারে।
em31
ভারতে বড় ধরনের কোনো সন্ত্রাসী হামলা হলে পাকিস্তানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে দেশটি। এমনকি এ সামরিক অভিযান বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলটিতে পরমাণু যুদ্ধেরও সূচনা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমেরিকার দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জর্জ পারকোভিচ এবং অ্যাশলে টেলিস। চলতি সপ্তাহের শুরুতে আমেরিকান সিনেট প্যানেলের শুনানিতে এ আশঙ্কার কথা জানান তারা। সংবাদসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, ডনএই দুই বিশেষজ্ঞ সিনেট প্যানেলের শুনানিতে জানান, সীমান্তে বড় ধরনের হামলার জবাবে ভারত সেনা অভিযান শুরু করলে পাকিস্তানও ছেড়ে কথা বলবে না। সেক্ষেত্রে দেশটি ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু হামলাও চালাতে পারে। তারা বলছেন, সুদূর ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ায় পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানের অস্বাভাবিক প্রতিযোগিতা থেকেই এ আশঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও দ্য স্টাডিজ কার্নেজি এনডোওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সদস্য পারকোভিচ উল্লেখ করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির আরেক সদস্য টেলিস সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধে আমেরিকাকে প্রভাব খাটানোর আহ্বান জানান। তবে এ প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত ভারত কিংবা পাকিস্তানের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু বলা হয়নি।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ শুক্রবার বলেছেন, নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি করলে তার যোগ্য জবাব দেবে পাকিস্তান। ভারত এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করলেও এ বিষয়ে দেশটির সমর বিশ্লেষকরা বলছেন, নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানায় পাক রেঞ্জারদের হামলার দায় ভারতের ঘাড়ে চাপিয়ে চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন পাক সেনাপ্রধান। উল্লেখ্য, গত মাস আগে দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক বাতিলের পর তলানিতে ঠেকে পাক-ভারত সম্পর্ক। পাকিস্তানের প্রতিনিধি কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে দেখা করা নিয়ে শুরু হয় তীব্র মতবিরোধ। এছাড়া কয়েক মাস ধরেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানায় ভারতীয় সেনাচৌকি লক্ষ্য করে হামলা চালানো শুরু করেছে পাক রেঞ্জার। আর এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আমেরিকান বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা বাস্তবে রূপ নিতেও পারে।
em31

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন